সেনাবাহিনীর ভেতরে নানা ‘পুরুষোচিত’ খেলাধুলায়, যেমন বক্সিং, বাঙালি সৈন্য ও কর্মকর্তাদের পরীক্ষিত সাফল্যের পরও, এমনকি স্বাধীন ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ১৯৬৫ সালে অনুষ্ঠিত যুদ্ধে পাঞ্জাব ফ্রন্টে বাঙালিদের নিয়ে গঠিত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ‘ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট’ অন্যদের তুলনায় বিপুল শৌর্য ও সাফল্য প্রদর্শন করার পরও, পশ্চিম পাকিস্তান-ভিত্তিক পাকিস্তানি নয়া-ঔপনিবেশিক শাসকশ্রেণি ও তার সেনাবাহিনী বাঙালিদের ‘অযোদ্ধা জাতি’ হিসেবে আখ্যায়িত করা অব্যাহত রাখে এবং সেনাবাহিনীতে বাঙালি নিয়োগের হার আগের মতোই সংকুচিত করে রাখে। পূর্ব ও পশ্চিমের ভেতর এই সামরিক বৈষম্য জারি রাখা, আসলে, বাঙালি অধ্যুষিত পূর্ব পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পাঞ্জাব-প্রভাবিত পশ্চিম পাকিস্তানের দীর্ঘ বৈষম্যমূলক রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক নীতির সম্প্রসারণ হিসেবে নয়া-উপনিবেশবাদী পাকিস্তানি শাসকশ্রেণির সহজাত বৈশিষ্ট্যেরই প্রতিফলন ছিল।
বাঙালির বিরুদ্ধে শৌর্যহীনতার ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক ও পাকিস্তানি নয়া-ঔপনিবেশিক শাসকশ্রেণির এই বর্ণবাদী কৌশলগত অপপ্রচারের অন্তঃসারশূন্যতা চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয় ১৯৭১ সালে —বাংলাদেশের সফল স্বাধীনতাযুদ্ধে, বাঙালি মেজরদের স্বল্পকালীন অল্প প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অকুতোভয় বাঙালি মুক্তিবাহিনীর কাছে অবাঙালি জেনারেলদের নেতৃত্বাধীন অবাঙালি ‘যোদ্ধা’ সৈন্যশক্তি দিয়ে গঠিত সুপ্রশিক্ষিত ও শক্তিধর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর লজ্জাজনক পরিণতির মাধ্যমে। বাঙালি মেজরদের নেতৃত্বাধীন কথিত ‘অযোদ্ধা’ জনগোষ্ঠীভুক্ত তরুণ মুক্তিযোদ্ধারা, বিভিন্ন যুদ্ধাঞ্চলে সমন্বিত গেরিলা আক্রমণ ও সম্মুখ সমরের মাধ্যমে, মাত্র নয় মাসে, পাকিস্তানি বাহিনীকে পর্যুদস্ত ও পরাজিত করে, ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে, স্বাধীন বাংলাদেশের উত্থান নিশ্চিত করে।
এভাবে, পাকিস্তান সৃষ্টির ২৪ বছরের মাথায়, পাকিস্তানের প্রধানত বাংলাভাষী পূর্বাংশ বাংলাদেশ হিসেবে স্বাধীনতা অর্জনের মাধ্যমে, বাংলাভাষা উর্দুর আগ্রাসী প্রভাব থেকে মুক্তি লাভ করে। ওদিকে, আধুনিক বাংলা ভাষার বিকাশে কলকাতাকেন্দ্রিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকা সত্ত্বেও, ভারতের বাংলাভাষী পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের জনগণ হিন্দির ক্রমবর্ধমান আগ্রাসনের মুখে নিজের ভাষাকে রক্ষা করতে হিমশিম খেতে থাকে।
আট
প্রধানত বাংলা ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক গণজাগরণ ও গণ-আন্দোলনের পথ বেয়ে, একটি সশস্ত্র জনযুদ্ধের ভেতর দিয়ে, উত্থিত বাংলাদেশ রাষ্ট্রে বাংলা ভাষার গণতান্ত্রিক মুক্তি সাধিত হবে— এটাই ছিল ইতিহাসসিদ্ধ যৌক্তিক প্রত্যাশা। তাছাড়া, যে জনগোষ্ঠী আপন ভাষা ও সংস্কৃতির অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লড়াকু সংগ্রামে প্রাণবিসর্জন দিতে পারে, সে জনগোষ্ঠী অপরাপর ভাষাভাষী মানুষের ভাষা ও সংস্কৃতির স্বাধীন বিকাশের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে —এটাই ছিল নৈতিকভাবে যুক্তিযুক্ত প্রত্যাশা। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই জোড়া-প্রত্যাশার আরও ন্যায্যতা ছিল, কারণ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সশস্ত্র জনযুদ্ধে বাঙালি মুক্তিযোদ্ধাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই দেশটির বিভিন্ন সংখ্যালঘু অবাঙালি জাতিগোষ্ঠী যেমন, চাকমা, মার্মা, গারো, ত্রিপুরা প্রভৃতি সম্প্রদায় নানাভাবে অংশগ্রহণ করেছিল। তাছাড়া, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতার রজ্জু যে আওয়ামী লীগের হস্তগত হয়, সেই লীগ-নেতৃত্ব তার ১০ই এপ্রিল ১৯৭১, ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে’ বিলম্বে ঘোষিত এবং পরদিন প্রচারিত প্রবাসী লীগ-সরকারের প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে, স্বাধীন বাংলাদেশে ‘সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়পরায়ণতা’ ভিত্তিক ‘গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা’ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছিল।২৭৮
ফলে, স্বাধীন বাংলাদেশে বাংলাভাষা ও সংস্কৃতির পাশাপাশি অপরাপর জনগোষ্ঠীসমূহের ভাষা ও সংস্কৃতিরও যথাযথ গণতান্ত্রিক অধিকার ও মর্যাদা স্বীকৃত হওয়াই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু তা হয়নি।
কী হয়েছে, আর কী হয়নি, তা আলোচনার পূর্বে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক ও পাকিস্তানি নয়া-ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে যথাক্রমে দীর্ঘ সংগ্রাম ও সশস্ত্র জনযুদ্ধে বিজয়ের মাধ্যমে উত্থিত বাংলাদেশের জন্য একটি যথার্থ ‘গণতান্ত্রিক রিপাবলিক’ হিসেবে বিকশিত হওয়াই ছিল ইতিহাসের দাবি। কেননা, ‘রাষ্ট্র’ হিসেবে একটি যথার্থ ‘গণতান্ত্রিক রিপাবলিকের’ পক্ষেই কেবল নাগরিকদের জন্য ‘সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়পরায়ণতা’ভিত্তিক ‘গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা’ প্রবর্তন ও বিকাশে ভূমিকা রাখা সম্ভব। গণতান্ত্রিক রাজনীতি-দর্শনের শিক্ষার্থীমাত্রই জানেন, একটি যথার্থ ‘গণতান্ত্রিক রিপাবলিক’ বলতে বোঝায়, কোনো দেশের সকল শ্রেণির জনগণের ‘সাধারণ ইচ্ছার’ ভিত্তিতে প্রণীত ও জনগণের সকল অংশের ভেতর সম্পাদিত, একটি ‘সামাজিক চুক্তি’রূপী সংবিধানের অধীনে পরিচালিত একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা, যেখানে রাষ্ট্রের ‘সার্বভৌমত্ব’ জনগণের ওপর ন্যস্ত থাকে, জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সরকারসহ রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান তার নীতি ও কার্যক্রমের জন্য জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে নিরন্তর দায়বদ্ধ থাকে। কোনো দেশে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্ররূপী এই রকম একটি রাজনৈতিক সংগঠনের সদস্যবর্গ, অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট দেশটির জনগণ, মর্যাদাবান ‘নাগরিক’ (পরঃরুবহ) হিসেবে স্বীকৃত থাকেন— কখনোই কোনো ঔপনিবেশিক শক্তির দখলীকৃত কোনো অধিরাজ্যের ‘প্রজা’ (ংঁনলবপঃ) হিসেবে বিবেচিত হন না।
কিন্তু বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর, দেশটির রাষ্ট্রগঠন প্রক্রিয়ায়, সংবিধান রচনার ক্ষেত্রে লীগ সরকার নিজের দলীয় প্রতিনিধি ছাড়া স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়নি। ফলে, শুরুতেই, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সংবিধানটি সমগ্র জনগণের ‘সাধারণ ইচ্ছার’ ভিত্তিতে রচিত ও জনগণের সকল অংশের ভেতর সম্পাদিত একটি ‘সামাজিক চুক্তি’ হয়ে উঠতে পারেনি। পরিণাম হিসেবে, একটি জনযুদ্ধের ভেতর দিয়ে উত্থিত স্বাধীন বাংলাদেশে,‘রাষ্ট্র হিসেবে’, একটি ‘গণতান্ত্রিক রিপাবলিক’ প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি। স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের যাত্রার শুরুতেই এই বিপর্যয়ের কারণটি লীগ-নেতৃত্বের উপনিবেশবাদী রাজনৈতিক মননের ভেতর প্রোথিত ছিল। শেখ মুজিবুর রহমানসহ লীগ-নেতৃত্বের একটি অংশ তরুণ বয়সে ব্রিটিশ উপনিবেশবাদ-বিরোধী স্বাধীনতাসংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করলেও, পরবর্তীকালে নয়া-উপনিবেশবাদী পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দুই যুগব্যাপী সংগ্রামে নেতৃত্বমূলক ভূমিকা পালন করলেও, তাঁদের রাজনৈতিক মন ও মননের বিউপনিবেশায়ন ঘটেনি— যার সবচেয়ে বড় প্রমাণ ‘রিপাবলিকের’ বাংলা অনুবাদের ভেতর মূর্তিমান হয়ে রয়েছে। লীগ-নেতৃত্ব উপনিবেশবাদ বিরোধী রক্তাক্ত জনযুদ্ধের ভেতর দিয়ে আবির্ভূত বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে একটি ‘জনগণতান্ত্রিক’ প্রতিষ্ঠান হিসেবে, ‘গণতান্ত্রিক সাধারণতন্ত্র’ নামকরণ না করে ‘গণপ্রজাতন্ত্রী’ সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে, তাঁরা ‘পিপলস্ রিপাবলিকের’ ‘রিপাবলিক’কে ‘প্রজাতন্ত্র’ হিসেবে বঙ্গানুবাদ করেছে। স্পষ্টতই, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের লীগ দলীয় সংবিধান প্রণেতারা স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিকদের ‘প্রজা’, অর্থাৎ ইংরেজি ভাষায় যাকে বলে ‘রাজার সাবজেক্ট’, হিসেবে বিবেচনা করেছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসের পরিপ্রেক্ষিতে দেখলে, বাংলা ভাষায় ‘প্রজা’ শব্দটি এমনকি রাজার ‘সাবজেক্টের’ চেয়েও অধস্তন মর্যাদাসম্পন্ন একটি প্রতিপাদ্য। কেননা, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকশ্রেণি ‘অষ্টাদশ শতকে’ অবিভক্ত বাংলায় ‘ভূমির চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত’ প্রবর্তনের মাধ্যমে, ব্রিটিশ শাসনের প্রতি অনুরক্ত যে বিশ্বস্ত ‘জমিদার শ্রেণি’ গড়ে তুলেছিল, তারা তাদের জমিদারির শোষিত-নিপীড়িত কৃষকদের ‘প্রজা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল। অর্থাৎ, জমিদার নিজেই ব্রিটিশ রাজা/রানীর ‘প্রজা’, আবার জমিদারের ‘প্রজা’ হলো এদেশের কৃষক। কৃষিপ্রধান পূর্ব বাংলার অধিকাংশ মানুষই ছিলেন কৃষক, আর তাঁরা ব্রিটিশের প্রজারও প্রজার জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়েছেন। এদিকে, বাংলাদেশের সশস্ত্র স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী অধিকাংশ মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন কৃষক কিংবা কৃষকের সন্তান। এই কৃষকেরই আত্মদানে প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন বাংলাদেশে, ঔপনিবেশিক রাজনৈতিক মন ও মনন-সংবলিত লীগ-নেতৃত্ব তাঁদের, ‘নাগরিক’ মর্যাদার পরিবর্তে, ‘প্রজা’র পুরনো হীন মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত রাখার ব্যবস্থা করে। স্বভাবতই, এই লীগের নেতৃত্বে নির্মিত ‘বাংলাদেশ রাষ্ট্র’ ব্রিটিশ আমলে প্রণীত ও পাকিস্তানি জমানায় অনুসৃত অধিকাংশ জনস্বার্থবিরোধী ঔপনিবেশিক আইনকানুনসহ তার যাত্রা শুরু করে।
এটা অতএব মোটেও আশ্চর্যের বিষয় নয় যে, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে স্বাধীনতাযুদ্ধের রাজনৈতিক নেতৃত্বদানকারী বাঙালি শাসকশ্রেণির প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও তার বশংবদ বুদ্ধিজীবীরা, বাংলাদেশের গণ-আন্দোলন ও জনযুদ্ধের ইতিহাসকে ঔপনিবেশিক কায়দায় দখল করার মাধ্যমে, দেশটির সংগ্রামী ইতিহাস থেকে সাধারণ মানুষসহ অপরাপর দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দলগুলোকে বহিষ্কার করার প্রয়াস গ্রহণ করে। এই লীগ-সম্প্রদায় বিজয়ী স্বাধীনতাযুদ্ধ ও সংগ্রামে অন্য সকলের অবদানকে অস্বীকার করে, ইতিহাসের ওপর আপন দখলদারিত্ব কায়েম করে, যুদ্ধের ভেতর দিয়ে বিবর্তিত সমাজ ও নবোত্থিত রাষ্ট্রে তার একাধিপত্য প্রতিষ্ঠার প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে, নিজেকে স্বৈরতান্ত্রিক রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে হাজির করে। বাংলাদেশের স্বাধীন যাত্রার শুরুতেই লীগের এই স্বৈরতান্ত্রিক পদক্ষেপ দেশটির সর্বাঙ্গীণ গণতান্ত্রিক বিকাশের পথ কণ্টকাকীর্ণ করে তোলে।
এসব উপনিবেশবাদী অপতৎপরতা সত্ত্বেও, স্বাধীন বাংলাদেশের যাত্রার শুরুতে, নিকট ইতিহাসের চাপে, বাংলাভাষা যথাযোগ্য রাজনৈতিক মর্যাদায় অভিষিক্ত হয়েছিল বইকি। ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সংবিধান বাংলাকে ‘রাষ্ট্রভাষা’ হিসেবে ঘোষণা করে, যা এখনো সংবিধানে লিপিবদ্ধ রয়েছে।২৭৯
কিন্তু এই সাংবিধানিক স্বীকৃতি সত্ত্বেও, রাষ্ট্রীয় পরিসরের ভাষা হিসেবে বাংলা কখনোই যথার্থ মর্যাদা লাভ করেনি— রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে, উচ্চ আদালতে আইনি তর্ক-বিতর্ক পরিচালনায়ও রায় প্রদানে, কিংবা উচ্চশিক্ষা চর্চায় এখনো ইংরেজি ভাষারই মর্যাদাবান অবস্থান জারি রয়েছে।
তথ্যসূত্র:
২৭৮. দেখুন, The Proclamation of Independence, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ : দলিলপত্র, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা : ৪-৫ ও প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের বেতার ভাষণ, প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা : ৭-১১
২৭৯. দেখুন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান, ১৯৭২, অনুচ্ছেদ ৩
