দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে আয়োজনে সিসিকের সর্বাত্মক প্রস্তুতি

ফন্ট সাইজ:

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ধর্মীয় উৎসব উদ্যাপনে সিলেট সিটি করপোরেশন সব সম্প্রদায়ের পাশে রয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে নগর জুড়ে সার্বিক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। পূজামণ্ডপগুলোর পরিচ্ছন্নতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনাসহ প্রয়োজনীয় সব বিষয়ে সিসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, মহালক্ষ্মী মন্দিরে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এ পূজাকে কেন্দ্র করে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম হবে। তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মন্দির ও আশপাশের এলাকার পরিচ্ছন্নতা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বুধবার দুপুরে দক্ষিণ সুরমার মহালক্ষ্মী ভৈরবী গ্রীবা মহাপীঠে কুমারী পূজার প্রস্তুতি পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রশাসক বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশন সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠানকে সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখে। ঈদুল আজহায় যেমন নগর পরিচ্ছন্ন রাখা ও বর্জ্য অপসারণে সিসিক দ্রুতগতিতে কাজ করেছে, তেমনি দুর্গাপূজার আগেও এবং পূজা চলাকালীন মন্দির ও পূজামণ্ডপগুলোতে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সিলেট নগরীতে ৮৫টি সার্বজনীন পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এসব মণ্ডপের পাশাপাশি ব্যক্তি উদ্যোগে আয়োজিত পূজাগুলোতেও যাতে কোনো ধরনের সমস্যা না হয়, সে বিষয়েও সিটি করপোরেশন নজর রাখছে। আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী কোনো পূজামণ্ডপে বা পূজা আয়োজনের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দকে দ্রুত সিটি করপোরেশনকে জানানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের হটলাইনসহ প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ রয়েছে। পূজা চলাকালীন সময়ে সিসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন।

তিনি পূজামণ্ডপের আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো ধরনের অসুবিধা বা প্রয়োজন দেখা দিলে দ্রুত সিটি করপোরেশনকে অবহিত করতে হবে। একইসঙ্গে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে দুর্গাপূজা উদ্যাপনের আহ্বান জানান তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন— সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি শিবব্রত ভৌমিক চন্দন, সাধারণ সম্পাদক জনার্দ্ধন চক্রবর্তী মিন্টু, সহ-সভাপতি নারায়ণ চক্রবর্তী, চন্দন দাস ও মিন্টু দাস, কোষাধ্যক্ষ সঞ্জিত কর, উপদেষ্টা অধ্যাপক প্রতাপ চৌধুরী, দক্ষিণ সুরমা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নন্দন পাল, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মনোজ তালুকদার, লাভলু দেব, নান্টু দাস, অহিভূষণ দেব, ৩০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম, ৩০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য গৌছ উদ্দিন পাপ্পু, শুভংকর দাস, নিরু দেব, সিসিকের সহকারী প্রকৌশলী সুমন চন্দ্র দেব প্রমুখ।