বিএনপি’র বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি আলহাজ সালাহউদ্দিন আহমেদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার বিকালে শ্যামপুরে লাল মসজিদে তৃতীয় জানাজা শেষে জুরাইনের বাবার কবরের পাশে সালাহউদ্দিন আহমেদকে দাফন করা হয় বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।
সকালে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল, সংসদের প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, হুইপগণ, বর্তমান ও সাবেক সংসদ সদস্যরা অংশ নেন। পরে মরহুমের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল, প্রধান হুইপ নুরুল ইসলামসহ হুইপরা। এ ছাড়া প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এএসএম বাহাউদ্দিন মরহুমের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।
এরপর বাদ জোহর রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সালাহউদ্দিন আহমেদের কফিন দলীয় পতাকা দিয়ে ঢেকে দিয়ে তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে সিনিয়র নেতারা। এর আগে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবসহ দলের ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, আবদুস সালাম আজাদ, মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, সদস্য সচিব মরহুমের ছেলে তানভীর আহমেদ রবিনসহ মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। পরে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপি’র বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
রাজধানী ঢাকার সাবেক এই সংসদ সদস্য ফুসফুসের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। সালাহউদ্দিন আহমেদ ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৯১ ও ২০০১ সালে বিএনপি’র মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
