ইয়ামাল ম্যাজিকে প্রত্যাবর্তনে বড় জয় বার্সেলোনার

ইয়ামাল ম্যাজিকে প্রত্যাবর্তনে বড় জয় বার্সেলোনার

ফন্ট সাইজ:

শুরুতে পিছিয়ে পড়েও ইস্তাম্বুলের উত্তপ্ত গ্যালারিকে নিস্তব্ধ করে গ্যালাতাসারাইকে ৪-১ গোলে হারালো বার্সেলোনা। চ্যাম্পিয়নস লীগের মঞ্চে বার্সার জার্সিতে নিজের প্রথম গোলের দেখা পেলেন নতুন রিক্রুট অ্যান্থনি গর্ডন। জোড়া অ্যাসিস্ট করে দারুণ নৈপুণ্য দেখালেন লামিন ইয়ামাল। হান্সি ফ্লিকের আক্রমণাত্মক কৌশলে ঘরের মাঠে পাত্তাই পেলো না তুর্কি চ্যাম্পিয়নরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে মনোযোগ দিলেও খেলার ধারার বিপরীতে প্রথম বড় আক্রমণেই পিছিয়ে পড়ে বার্সেলোনা। গর্ডনের পেনাল্টির দাবি নাকচ হওয়ার পর ২৮ মিনিটে রাফায়েল লিয়াওর পাস থেকে আলেক্সি বাত্রাকভের শট জোয়াও কানসেলোর গায়ে লেগে বার্সার জালে জড়ায়। এর ছয় মিনিট পর বারিশ আলপের ইলমাজ গোল করে গ্যালাতাসারাইকে এগিয়ে দিয়েছেন ভেবে উল্লাসে মাতলেও, ভিএআর অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করে।

সে যাত্রায় বেঁচে গিয়ে গুছিয়ে ওঠে বার্সা। বিরতির ঠিক দুই মিনিট আগে দানি ওলমোর সহায়তায় চমৎকার এক কার্লিং শটে দলকে সমতায় ফেরান কানসেলো।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই তিন মিনিটের ব্যবধানে ঝড় তোলে হান্সি ফ্লিকের দল। ৫০ মিনিটে ইয়ামালের চমৎকার ক্রস থেকে হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন ফেরমিন লোপেস। ঠিক তিন মিনিট পর আবারো ইয়ামালের ম্যাজিক! স্বাগতিক ডিফেন্সকে বোকা বানিয়ে বাড়ানো পাসে নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে বার্সার হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লীগে নিজের প্রথম গোলটি করেন গর্ডন। এরপর গর্ডনের বদলি হিসেবে মাঠে নামা কারিম আদিয়েমিও ম্যাচের শেষ দিকে জাল খুঁজে নেন।

এ জয়ের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়ন্স লীগে ফ্লিকের অধীনে ২৮ ম্যাচে বার্সেলোনার মোট গোল সংখ্যা দাঁড়ালো ৮৪-তে, অর্থাৎ ম্যাচপ্রতি গড়ে ৩টি গোল। ১৯৯২-৯৩ মৌসুমে নতুন আঙ্গিকে চ্যাম্পিয়ন্স লীগ শুরুর পর অন্তত ২০টি ম্যাচে কোনো নির্দিষ্ট কোচের অধীনে এটি সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। প্রথম দুই ম্যাচেই বড় জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে আগামী ২০শে অক্টোবর প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইর (পিএসজি) মুখোমুখি হবে কাতালানরা।