মিষ্টির আসনের উপনির্বাচন

ঋণখেলাপি ঠেকাতে প্রার্থীদের ঋণের তথ্য চায় ইসি

ফন্ট সাইজ:

সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে ঋণখেলাপিদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে আগেভাগেই তৎপর নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিএনপি’র পদত্যাগী সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির ছেড়ে দেয়া শূন্য আসনে উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া প্রার্থীদের ঋণখেলাপিসংক্রান্ত তথ্য চেয়েছে কমিশন। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের আগেই এসব তথ্য সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
গত ১২ই অক্টোবর নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো চিঠিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। এতে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী প্রার্থীদের ঋণসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরবরাহের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

ইসি’র চিঠি অনুযায়ী, ২৬শে অক্টোবর বিকাল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন প্রার্থীরা। মনোনয়নপত্র জমার সময়সীমা শেষ হওয়ার পর প্রার্থীদের নাম, পিতা-মাতা বা স্বামীর নামসহ প্রয়োজনীয় তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানো হবে। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে এসব তথ্য নিয়ে প্রার্থীদের ঋণখেলাপিসংক্রান্ত অবস্থা যাচাই করতে হবে। ২৭শে অক্টোবর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের নির্ধারিত সময়ের আগেই যাচাই করা তথ্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানোর নির্দেশনা রয়েছে।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন আইন, ২০০৪-এর ২৯ ধারা অনুযায়ী গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর প্রাসঙ্গিক বিধান এ নির্বাচনেও প্রযোজ্য। ফলে সাধারণ আসনের নির্বাচনের মতো সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনেও ঋণখেলাপিদের প্রার্থিতা যাচাইয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

এদিকে মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় মিষ্টির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠার পর গত ১লা অক্টোবর পদত্যাগ করেন মিষ্টি। পরে সংসদ সচিবালয় আসনটি শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে। এর ধারাবাহিকতায় উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। এ উপনির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন ইসি’র যুগ্ম সচিব মো. মঈন উদ্দীন খান। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইসি’র উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আসনটি বিএনপি জোটের হওয়ায় জোট মনোনীত প্রার্থীরাই নির্বাচনে অংশ নেবেন। জোট থেকে একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন পেলে তাদের মধ্যে ভোট হবে। আর একজন প্রার্থী থাকলে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।