পণ্ড সিজেপির বিক্ষোভ

পণ্ড সিজেপির বিক্ষোভ

ফন্ট সাইজ:

ভারতের রাজধানী দিল্লিকে ঘিরে শনিবার সকাল থেকে অবরুদ্ধ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সড়কে সড়কে ব্যারিকেড, বন্ধ অফিস, দোকানপাট ও রেস্তোরাঁ। এর মধ্যেই ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) যন্তর মন্তর অভিমুখে মিছিল আটকে দিয়েছে পুলিশ।
কেন্দ্রীয় দিল্লির যন্তর মন্তরে বড় জমায়েতের প্রত্যাশা নিয়ে দিন শুরু হলেও সেখানে পৌঁছাতে পেরেছেন হাতেগোনা কয়েকজন বিক্ষোভকারী। দ্রুত তাদের সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ।
গ্রীষ্মের শুরুতে সিজেপির বিক্ষোভের সময় যে সড়কটি আন্দোলনকারীদের দখলে ছিল, সেটির দুই প্রান্তেই ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। সেখানে মোতায়েন রয়েছেন হাজার হাজার পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য। দিনভর বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন থাকলেও ঘটনাস্থলে তেমন কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি।

এদিন যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে আটক হন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির (এএপি) জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এবং ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। এ ছাড়া তাদের দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা ও কর্মীদেরকেও আটক করা হয়েছে।
শহরের অন্যত্রও সিজেপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের আটক করা হয়েছে। সিজেপির শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাসকে বিমান থেকেই আটক করে দিল্লি পুলিশ।

এ ছাড়া বামপন্থী নেত্রী নেহা বোরাসহ অন্য যেসব কর্মী দিল্লি হাট থেকে যন্তর মন্তরের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তাদেরও আটকে নিয়ে যায় পুলিশ।
এখন পর্যন্ত কতজনকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সংখ্যা জানায়নি পুলিশ। তবে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেই সংখ্যা আট হাজারের বেশি।
এদিন পুলিশের বাধা এড়িয়ে কনট প্লেসে পৌঁছাতে সক্ষম হওয়া এক নারী বলেন, ‘গণতন্ত্রে প্রত্যেকেরই বিক্ষোভ করার এবং অসন্তোষ প্রকাশের অধিকার রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ বহুদিন ধরেই চলে আসছে। আমরা স্বাধীনতাপূর্ব ভারতের বাসিন্দা নই। আমরা সরকারের কাছে বিক্ষোভ করার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।’