চলেন যুদ্ধে যাই, অফিসে যাওয়ার পথে বললেন প্রধানমন্ত্রী

চলেন যুদ্ধে যাই, অফিসে যাওয়ার পথে বললেন প্রধানমন্ত্রী

ফন্ট সাইজ:

রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনের দরজা খুলে সেখানে উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বললেন, ‘চলেন যুদ্ধে যাই।’ মূলত দেশ পরিচালনার কাজকে ‘যুদ্ধ’ বলে বুঝিয়েছেন তিনি। সকালে গুলশানের বাসা থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেরুবেন, নিরাপত্তা কর্মকর্তারা প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে আসলে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের স্যালুট। প্রধানমন্ত্রী সালাম গ্রহণ করে কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বললেন, কেমন আছেন আপনারা। চলেন যুদ্ধে যাই। গতকাল সকালে গুলশান এভিনিউর বাসা থেকে প্রধানমন্ত্রী বেরুনোর সময়ে এরকম মন্তব্য করেছেন বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি বলেন, সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী গুলশানের বাসা থেকে বেরুন। সচিবালয়ে পৌঁছান ৯টা ১৬ মিনিটে। প্রধানমন্ত্রী আজকে বাসা থেকে বেরুনোর সময়ে এমন কথা বলতে বলতে নিজের গাড়িতে উঠেন।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন সকাল সকাল অফিসে আসছেন। ছুটির দিন শনিবারও তিনি অফিস করছেন। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টাগণ, সচিববৃন্দসহ কর্মকর্তারাও যাতে সকালে অফিসে আসে সেই তাগাদাও দিচ্ছেন। দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম, নানা সমস্যা থেকে উত্তরণে দিনরাত প্রধানমন্ত্রী কাজ করছেন। এই পরিস্থিতির পরিবর্তনে অর্থাৎ দেশ পুনর্গঠনের এই অভিযাত্রাকে প্রকাশ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, চলেন, যুদ্ধে যাই, দেশ গড়ার যুদ্ধে যাওয়ার কথা ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
গত শনিবার ছিল ছুটির দিন। তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সপ্তাহের ৫ দিন সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে অফিস করছেন।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী অফিস করছেন যাতে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-সচিবদের দ্রুত ডাকলে পাওয়া যায়। কারণ তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী অফিস করলে কোনো মন্ত্রী বা কর্মকর্তাদের প্রয়োজন হলে সচিবালয় থেকে তাদের যেতে যেমন বিলম্ব হয়, তেমনি তারা যখন ভিআইপি প্রটোকল নিয়ে তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে যান তখন যানজটেরও সৃষ্টি। এতে সাধারণ মানুষজন ভোগান্তির মুখে পড়েন। এই অবস্থার পরিবর্তন আনতে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে অফিস করছেন, যাতে সরকারি কাজের গতি বাড়ে।

Hafiz Mohammed

৪ মাস আগে

আমরা জাতিগত ভাবেই অন্যের সমালোচনা করতে ভাল বাসি কিন্তু নিজের বেলায়ে শুনতে পছন্দ করি না , আমাদের দেশের সাথে সাথে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পরিবর্তন খুবই দরকার হয়ে পড়েছে । দরকার রাহুল গান্ধী + প্রিয়াংকা গান্ধী সরকারের তবেই জন্মবে ভারত+ আশেরপাশের দেশের আর্থিক + রাজনয়তিক ভাল পরিবর্তন । বর্তমানে যেটা আছে সেটা টোটালি রাবিশ একজন অন্ধ্য মৌলবাদী হিন্দু তার ভিতরে শুধুই আছে হিংসা + হিংসা + হাম্বড়া ভাব এবং প্রচন্ডো ভাবে আর্থিক কেলেঙ্কারিতে ডাকাত শ্রেণীর । ভারতে রাহুল + বাংলাদেশে তারেক ভালোই জমবে রাজনীতি সেই আশায়ে থাকলাম ........................।

Amran Hossain

৪ মাস আগে

Honorable Prime Minister,

This is a time of war—the culmination of long-standing political and strategic tensions. History reminds us that wars do not arise by accident; they are the result of decisions. At such a critical moment, leadership, wisdom, and responsibility must guide every step.

MD Khan

৪ মাস আগে

জিয়া পরিবার এবং বিএনপির হাতেই দেশ নিরাপদ। এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ ইনশা আল্লাহ।

মোহাম্মদ আজিজুল হক রেজা

৪ মাস আগে

ইসলামের আলোকে দেশ পরিচালনা করেন স্যার আল্লাহর রহমত বর্ষিত হবে। তখন দেখবেন তখন দেখবেন দেশে কোন চাঁদাবাজি লুটতরাজ নারী ধর্ষণ চুরি-ডাকাতি রাহাজানি জমি দখল টেন্ডারবাজি সুদ ঘুষ কোন ধরনের অন্যায় করতে কেউ সাহস পাবে না

A R Sarker

৪ মাস আগে

প্রথম ক্ষমতায় এসে হাসিনাও এভাবে অফিস করেছিল। কিন্তু পার্শ্ববর্তী দেশের চক্রান্তে পরে সে পরবর্তিতে শৈরাচার হয়ে উঠলো। এটা মাথায় রাখতে হবে।

মো.দেলওয়ার হোসেন

৪ মাস আগে

প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রীগ্ণ,সচিবগ্ণ যদি এভাবে অফিস করেন তাহলে দেশ উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

Mohammad Nasir Uddin

৪ মাস আগে

দেশ পরিচালন অনেক কঠিন।

নেহাল মাহমুদ কাউছার

৪ মাস আগে

ভালো কাজের জন্য ধন্যবাদ আমি দেশের সাধারণ জনগণ আমি আমার নিজের থেকে সুন্দর একটা দেশ গড়ার যুদ্ধে যেতে চাই।

মন্তব্য করুন