আদালত থেকে পালালো হত্যা মামলার আসামি

ফন্ট সাইজ:

বছর দেড়েক আগে হত্যা মামলায় অভিযুক্ত আসামি শরিফুল ইসলাম পুলিশকে কামড়ে দিয়ে আদালত থেকে পালিয়েছিলেন। অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তারের পর জেল পালানোর মামলায় আদালতে হাজির করা হলে ফের এজলাস থেকে পালিয়ে যান শরিফুল। এ ঘটনায় আদালত চত্বরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আগের বার পালানোর ঘটনায় রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। সেই মামলায় মঙ্গলবার তাকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে হাজির করা হয়। তিনি একপর্যায়ে আদালত কক্ষ থেকেই পালিয়ে যান। আদালত সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে এ মামলার শুনানি ছিল। আসামি শরিফুলের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন কনস্টেবল আবদুল আলিম। তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আদালত কক্ষ থেকে ‘কৌশলে’ পালিয়ে যান শরিফুল। তিনি এর আগে একবার ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালিয়েছিলেন। সেই ঘটনায় করা মামলায় গতকাল তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করলে তিনি পালান। ডিএমপি প্রসিকিউশন বিভাগের ডিসি মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় তদন্ত হবে। মামলা হবে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আদালত ও পুলিশ সূত্র জানায়, শরিফুলের বাড়ি দিনাজপুরে। বাবার নাম শফিক আহমেদ। তার বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা আছে। খিলগাঁও থানার হত্যা মামলায় শরিফুল কারাগারে ছিলেন। এ মামলায় ২০২৫ সালের ১৯শে জুন তাকে কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়েছিল। সেদিন তিনি পুলিশের এক সদস্যকে কামড় দিয়ে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পালিয়েছিলেন। ঘটনার পর পুলিশ জানিয়েছিল, ২০১৮ সালে শরিফুলের বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলাটি হয়েছিল। এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি ছয় বছর ধরে কারাগারে ছিলেন। ২০২৫ সালের ১৯শে জুন পালানোর ঘটনায় সেদিনই কোতোয়ালি থানায় শরিফুলের বিরুদ্ধে মামলা হয়। একই বছরের ১লা অক্টোবর ফেনী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনি আবার কারাগারে ছিলেন।