তেলাপোকাদের এবার ‘দিল্লি চলো’ ডাক, যন্তর মন্তরে ফের সমাবেশ

তেলাপোকাদের এবার ‘দিল্লি চলো’ ডাক, যন্তর মন্তরে ফের সমাবেশ

ফন্ট সাইজ:

ভারতের ভোটার তালিকা সংশোধন বিতর্কের জেরে দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আগামী ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে তেলাপোকা জনতা পার্টি (সিজেপি)। শুক্রবার রাতে পার্টির নেতা অভিজিৎ দীপকে এ ঘোষণা দিয়েছেন।
এক্সে দেয়া এক পোস্টে অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের তেলাপোকারা দিল্লিতে মিছিল করে ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করবে।’

দীপকের অভিযোগ, দুই বছরে ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ দেয়া হয়েছে। ২০২৪ সালে ভারতে নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন ৯৭ কোটি। লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ ও ইন্ডিয়া জোটের ভোটের ব্যবধান ছিল মাত্র ২ শতাংশ। নির্বাচনের ১৫ দিন আগে জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল ব্যবধান বাড়ানোর জন্য, এমন অভিযোগও করেছেন তিনি।
দিল্লিতে আম আদমি পার্টির (আপ) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিধানসভা আসনে ৪০ হাজার ভোটার বাদ দেয়া হয়েছিল এবং তিনি ৪ হাজার ভোটে হেরে যান বলে দাবি করেছেন দীপকে। তামিলনাড়ুতে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের আসন থেকে প্রায় ১ লাখ ভোটার বাদ দেয়ার পর তিনি ১০ হাজার ভোটে হেরে গিয়েছেন বলেও দীপকে অভিযোগ করেছেন। পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছেন সিজেপির এই নেতা।

এদিকে, কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ শুক্রবার অভিযোগ করেছেন, নির্বাচন কমিশনের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ কর্তৃক নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তাদের ইসিআইনেট পোর্টালে প্রবেশাধিকারের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অবগত ছিলেন।

রমেশ বলেছেন, দুজন নির্বাচন কমিশনারের উত্থাপিত উদ্বেগ কর্মী ও প্রশিক্ষণ বিভাগে পৌঁছেছিল, যা প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছে। তিনি দাবি করেন, তাই প্রবেশাধিকার সীমিত করার সিদ্ধান্তটি সম্ভবত মোদির জ্ঞাতসারে এবং নির্দেশেই নেয়া হয়েছিল।
তিনি জুলাই মাসে ক্যাবিনেট সচিবের কাছে ওই দুই কমিশনারের করা অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের এক কর্মকর্তাকে নিয়ে একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের কথাও উল্লেখ করেন। রমেশ অভিযোগ করেন, ওই উদ্বেগগুলো সত্ত্বেও, ওই কর্মকর্তা নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমে একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে চলেছেন।
এক্স-এ এক পোস্টে রমেশ বলেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার পরিবর্তে, ওই কর্মকর্তা এখন নির্বাচন কমিশনের বিতর্কিত তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের তত্ত্বাবধান করছেন।