উপনিবেশোত্তর সমাজ ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর প্রসঙ্গে

ইতিহাস, ভাষা ও শিক্ষার ঔপনিবেশিক রাজনীতি ১৭

উপনিবেশোত্তর সমাজ ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর প্রসঙ্গে

ফন্ট সাইজ:

বাংলার এই চরম দুর্ভিক্ষের পেছনে আরেকটি প্রত্যক্ষ কারণ ছিল বাংলা ও বিহার অঞ্চলে অর্থগৃধ্নু ইংরেজ ব্যবসায়ীদের মজুতদারি ব্যবসা। সুপ্রকাশ রায় জানান যে, ‘ইংরেজ ব্যবসায়ীরা বাংলা ও বিহারের বিভিন্ন স্থানে চাউলের একচেটিয়া ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য অসংখ্য ব্যবসাকেন্দ্র খুলিয়া বসিয়াছিল’। এমতাবস্থায়, ‘ইহারা ১৭৬৯ খৃষ্টাব্দে ফসল উঠিবার সঙ্গে সঙ্গেই বাংলা ও বিহারের সমগ্র ফসল ক্রয় করিয়া সারা বৎসর মজুত করিয়া রাখে এবং ১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দে কয়েকগুণ বেশি দামে তাহা বিক্রয় করিতে আরম্ভ করে। কিন্তু খাজনার দায়ে সর্বস্বান্ত কৃষকের পক্ষে সেই চাউল ক্রয় করা অসম্ভব। সুতরাং কপর্দকহীন কৃষকের ঘরে অন্নাভাবে হাহাকার উঠিল’।১৪২

স্পষ্টতই, ভারতের ‘বিভিন্ন প্রদেশে প্রায়শই সংঘটিত প্রাকৃতিক দুর্যোগে’র ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে, বাংলায় সংঘটিত এই ভয়াবহ দুর্ভিক্ষে ইংরেজের দায় ধামাচাপা দেয়ার বস্তুনিষ্ঠ সুযোগ নেই। কেননা, ভারতের অপরাপর প্রদেশে মিল কথিত ‘প্রায়শ সংঘটিত প্রাকৃতিক বিপর্যয়,’ কখনোই বাংলা প্রদেশের মতো ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করেনি। জেমস মিলের ঔপনিবেশিক চৈতন্যই আসলে বাংলায় ইংরেজের তৎকালীন দুঃশাসন ও লুটপাটকে গোপন করার প্রণোদনা জুগিয়েছে।
আমরা আগেই বলেছি, কোনো অঞ্চলে ঔপনিবেশিক আগ্রাসন, দখলদারত্ব ও শাসনব্যবস্থার ‘ন্যায্যতা’ সৃষ্টির জন্য, যেকোনো ঔপনিবেশিক শক্তিকে ভূতপূর্ব স্থানীয় শাসকদের সম্পর্কে নেতিবাচক ও দখলদার ঔপনিবেশিক শক্তি সম্পর্কে ইতিবাচক বয়ান নির্মাণ ও প্রচার অপরিহার্য হয়ে পড়ে। জেমস মিল ভারতের দিল্লিতে অধিষ্ঠিত মুসলিম রাজবংশসমূহের খানিকটা প্রশংসা করার পর, আমরা ইতিমধ্যেই দেখেছি, ভারতে প্রতিষ্ঠিত ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনব্যবস্থার উৎকৃষ্টতার বয়ান রচনা করেছেন। কিন্তু ভারতে ব্রিটিশ শাসনের ‘ন্যায্যতা’ সৃষ্টির জন্য তা মোটেও পর্যাপ্ত ছিল না, সেই জন্য প্রাক-ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতের বাংলা প্রদেশে অধিষ্ঠিত শেষ মুসলিম শাসকদের সম্পর্কে নেতিবাচক বয়ানও নির্মাণ অপরিহার্য ছিল। বাংলায় প্রতিষ্ঠিত ‘ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির’ বাণিজ্যিক, রাজনৈতিক ও সামরিক তৎপরতার হাত ধরেই, ১৭৫৭ সালে, সমগ্র ভারতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের সূত্রপাত ঘটে। ফলে, ব্রিটিশ উপনিবেশবাদী ইতিহাসবিদ, রাজনীতিক ও বুদ্ধিজীবীরা বরাবরই বাংলার দেশপ্রেমিক নবাব তরুণ সিরাজ-উদ-দৌলাকে (১৭৩৩-১৭৫৭) অন্যায্য অপবাদ আরোপের জন্য বেছে নিয়েছেন। কেননা, এই নবাবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ওপর কলঙ্কারোপের মাধ্যমেই তার বিরুদ্ধে ইংরেজের অন্যায় ও অবৈধ যুদ্ধের ন্যায্যতা সৃষ্টি করতে পারে। জেমস মিল বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের ‘ন্যায্যতা’ সৃষ্টিকারী ওইসব উপনিবেশবাদী বুদ্ধিজীবী ও ইতিহাসবিদদেরই একজন। সিরাজকে এক ষড়যন্ত্রমূলক যুদ্ধে পরাজিত করে নির্মমভাবে হত্যার ভেতর দিয়েই বাংলায়, তথা গোটা ভারতবর্ষে, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত হয়। বাংলার এই শেষ ‘স্বাধীন’ নবাবকে, মিল অতএব, কোনো বস্তুনিষ্ঠ তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই, ‘ইন্দ্রিয়পরায়ণ, অধৈর্য, উত্তেজনাপ্রবণ, আপন আনন্দ-বেদনা সম্পর্কে ভীষণ সংবেদনশীল কিন্তু অন্যের ব্যাপারে চরম নির্বিকার’,১৪৩ ‘লোভী ও লুটেরা’,১৪৪ ‘মনুষ্যত্বহীন’১৪৫ ‘অজ্ঞ ও একগুঁয়ে’১৪৬, ‘নিষ্ঠুর’১৪৭ প্রভৃতি নেতিবাচক বিশেষণে আখ্যায়িত করেছেন। এখানে উল্লেখ্য যে, ভারতীয় ইতিহাসচর্চায় ‘দেশি-বিদেশি’ অনেক ইতিহাসবিদ শুধু জেমস মিলের ধর্মীয় সম্প্রদায়ভিত্তিক ‘কালবিভাজন’ দিয়েই প্রভাবিত হননি, ভারতীয় ইতিহাস রচনায় তার ‘বয়ান’ দিয়েও প্রভাবিত হয়েছেন। উদাহরণ হিসেবে ইংরেজ সাংবাদিক ও ইতিহাসবিদ জন সি মার্শম্যান (১৭৯৪-১৮৭৭) ও বাংলার সমাজ, শিক্ষা ও ভাষা সংস্কারক এবং ইতিহাসবিদ ঈশ্বরচন্দ্র শর্মার (১৮২০-১৮৯১) নাম উল্লেখ করা যেতে পারে। ঈশ্বরচন্দ্র তার ‘বাঙ্গালার ইতিহাস’ গ্রন্থে সিরাজ-উদ-দৌলা সম্পর্কে লিখেছেন, “সিরাজ-উদ-দৌলা, সিংহাসন অধিরূঢ় হইয়া, মাতামহের পুরাণ কর্মচারী ও সেনাপতিদিগকে পদচ্যুত করিলেন। কুপ্রবৃত্তির উত্তেজক কতিপয় অল্পবয়স্ক দুষ্ক্রিয়াসক্ত ব্যক্তি তাঁহার প্রিয়পাত্র ও বিশ্বাসভাজন হইয়া উঠিল। তাহারা, প্রতিদিন, তাঁহাকে কেবল অন্যায্য ও নিষ্ঠুর ব্যাপারের অনুষ্ঠানে পরামর্শ দিতে লাগিল। ঐ সকল পরামর্শের এই ফল দর্শিয়াছিল যে, তৎকালে প্রায় কোনও ব্যক্তির সম্পত্তি বা কোনও স্ত্রীলোকের সতীত্ব রক্ষা পায় নাই।”১৪৮ প্রথমত, পৃথিবীর সর্বত্রই কোনো নতুন শাসক পুরনোকে প্রতিস্থাপন করার পর নতুনের দিক থেকে অনুগত ও বিশ্বাসভাজন ব্যক্তিবর্গ দিয়ে সামরিক, বেসামরিক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব পুনর্বিন্যাসের রীতি প্রচলিত ছিল, আধুনিক জমানাতেও রয়েছে; ফলে, সিরাজের দিক থেকেও, ‘মাতামহের পুরাণ কর্মচারী ও সেনাপতিদিগকে’ নতুন দিয়ে প্রতিস্থাপন করার ভেতর অপরাধ খোঁজা অর্থহীন। সর্বোপরি, এমনকি উপনিবেশবাদী ইতিহাসবিদ যদুনাথ সরকারও সেনাপতি মীর জাফর আলী খানকে ‘অকৃতজ্ঞ’, ‘স্বার্থপর’, ‘বিশ্বাসঘাতক’ প্রভৃতি নেতিবাচক বিশেষণে অভিহিত করেছেন। মীর জাফরকে ‘ভাং ও আফিমে আসক্ত’ বলে বর্ণনা করে, তার ‘শৌর্যের’ খ্যাতিকেও ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘অপ্রাপ্যনীয়’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।১৪৯ তাছাড়া, সেনাপতি মীর জাফরকে যেই মীর মদনকে দিয়ে সিরাজ প্রতিস্থাপিত করেছিলেন, যদুনাথ সরকার তাকে ‘সাহসী ও নিবেদিতপ্রাণ’ ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।১৫০ তাছাড়া, যে মোহন লালকে সিরাজ ‘পেশকার’ হিসেবে নিয়োগ দিয়ে, কার্যত ‘প্রধানমন্ত্রীর’ মর্যাদায় সম্মানিত করেছিলেন, যদুনাথ সরকার তাকে ‘বিশ্বাসযোগ্য’ ও একজন ‘সামর্থ্যবান কর্মকর্তা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।১৫১ এমতাবস্থায়, ‘মাতামহের পুরাণ কর্মচারী ও সেনাপতি’ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত বরং সিরাজের রাজনৈতিক পরিপক্বতারই পরিচায়ক।

দ্বিতীয়ত, সিরাজ-উদ-দৌলা ১৭৫৬ সালের এপ্রিল থেকে ১৭৫৭ সালের জুন পর্যন্ত বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নবাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ছিলেন, আর সেই সময় এই ‘বিশাল রাজ্যে তিন কোটি মানুষ’ বসবাস করতেন১৫২ এবং শুধু মুর্শিদাবাদ অঞ্চলের জনসংখ্যাই ছিল প্রায় সাত লক্ষ। প্রশ্ন হলো, মাত্র ১৪ মাস সময়কালের মধ্যে সিরাজের কারণে তিন কোটি জনসংখ্যা অধ্যুষিত এই বিশাল জনপদে ‘প্রায় কোনও ব্যক্তির সম্পত্তি বা কোনও স্ত্রীলোকের সতীত্ব রক্ষা পায় নাই’— এমন অবাস্তব দাবি উত্থাপনের ভিত্তি কী?এ ব্যাপারে ঈশ্বরচন্দ্র দাবি করেছেন যে, তার ‘বাঙ্গালার ইতিহাস’-এর দ্বিতীয় ভাগটি ‘শ্রীযুক্ত মার্শমন সাহেবের রচিত ইঙ্গরেজি গ্রন্থের [আউটলাইন অব্ দ্য হিস্ট্রি অব বেঙ্গল] শেষ নয় অধ্যায় অবলম্বনপূর্বক’ রচিত হয়েছে, মোটেও ‘ঐ গ্রন্থের অবিকল অনুবাদ নহে’।১৫৩ কিন্তু ঈশ্বরচন্দ্র, প্রকৃতপক্ষে, মার্শম্যানের গ্রন্থটি থেকে সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদটির ‘অবিকল অনুবাদ’ই নিজের পুস্তকে ব্যবহার করেছেন।১৫৪ ওদিকে, মার্শম্যান নিজেই উল্লেখ করেছেন যে, তার ১৮৩৮ সালে প্রকাশিত ‘আউটলাইন অব দ্য হিস্ট্রি অব বেঙ্গল রচনার জন্য তিনি যেসব পুস্তক থেকে রসদ সংগ্রহ করেছেন, তার প্রথমটিই ছিল জেমস মিল লিখিত হিস্ট্রি অব ব্রিটিশ ইন্ডিয়া।১৫৫ সিরাজ সম্পর্কে মিল কী ধরনের নেতিবাচক বয়ান রচনা করেছেন, তা মাত্র কয়েক অনুচ্ছেদ পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে। যা-ই হোক, আমরা অচিরেই দেখবো, আসলে সিরাজকে ক্ষমতাচ্যুত করে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অনুগত কাউকে ক্ষমতায় বসিয়ে, অবৈধ রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার ও অন্যায্য বাণিজ্যিক সুবিধা আদায়ের অন্যায় কার্যক্রমকে ন্যায্যতাদানের জন্যই মিল-মার্শম্যানদের এই অতিরঞ্জিত বয়ান নিবেদিত ছিল। ঈশ্বরচন্দ্রসহ আরও অনেকেই বাংলা ও ভারতের ইতিহাসচর্চার এই উপনিবেশবাদী রাজনীতির সচেতন কিংবা অবচেতন শিকারে পরিণত হয়ে, সেই উপনিবেশবাদী বয়ানই উৎপাদন ও পুনরুৎপাদন করেছেন মাত্র— এখনো অনেকেই তা অব্যাহত রেখেছেন।
পরাজিত সিরাজের আত্মরক্ষার প্রয়াস সম্পর্কেও জেমস মিল এক ঘোর অসত্য বয়ান হাজির করেছেন। তিনি লিখেছেন, “হতভাগ্য সিরাজ যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পরদিন রাতে [মুর্শিদাবাদের] নিজ প্রাসাদে এসে হাজির হন। [...] তার পরদিন রাত ১০টায়, ছদ্মাবরণে, দীর্ণ পোশাকে, তাঁর প্রিয় রক্ষিতা ও এক নপুংসক রক্ষীকে সঙ্গে নিয়ে, গোপনে, প্রাসাদের জানালা গলিয়ে বিহারের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েন।”১৫৬ কিন্তু, সত্য এই যে, পলাশীতে পরাজিত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে, ইংরেজের বিরুদ্ধে নতুন করে যুদ্ধের জন্য সৈন্য সংগ্রহের যাবতীয় স্থানীয় প্রয়াস ব্যর্থ হওয়ার পর, ইংরেজের ফরাসি শত্রু রাজমহল অঞ্চলের মঁসিয়ে লো’র সহায়তায় পাটনা পর্যন্ত গিয়ে, আপন মিত্র রামনারায়ণের সেনাবল ব্যবহার করে, রাজ্য রক্ষার উদ্যোগ নেয়ার উদ্দেশ্যে বেরিয়েছিলেন। আর, সেই অনিশ্চিত যাত্রায় সিরাজ তাঁর সঙ্গীহিসেবে কোনো রক্ষিতাকে নয়, বরং একজন বিশ্বস্ত ‘পুরাতন প্রতিহারী’, অর্থাৎ পুরনো রক্ষী, আর বৈধ উপায়ে বিবাহিত তাঁর ‘চির সহচরী’ স্ত্রী বেগম লুৎফুন্নেসাকে (১৭৪০-১৭৯০) বেছে নিয়েছিলেন।১৫৭ অথচ, বিপদাপন্ন সময়ে জীবন ও রাজ্য রক্ষার জন্য সম্ভাব্য মিত্রের সন্ধানে যাত্রার অনিশ্চিত সময়েও একজন ‘রক্ষিতা’কে সঙ্গে নেয়ার এই অসত্য বয়ানটি নিঃসন্দেহে সিরাজের একটি অনৈতিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ‘প্রমাণ’ হিসেবেই ব্রিটিশ ও ভারতীয় সাধারণ পাঠকের ভেতর বিভ্রান্তি জারি রাখবে।

তথ্যসূত্র:
১৪২. সুপ্রকাশ রায়, ভারতের কৃষকবিদ্রোহ ও গণতান্ত্রিক সংগ্রাম, পৃষ্ঠা: ১৩
১৪৩. James Mill, History of British India, Vol. III, p. 145
১৪৪. প্রাগুক্ত, p. 146
১৪৫. প্রাগুক্ত, p. 149
১৪৬. প্রাগুক্ত, p. 145, 164
১৪৭. প্রাগুক্ত, p. 169
১৪৮. ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা, বাঙ্গালার ইতিহাস (দ্বিতীয় ভাগ), বিদ্যাসাগর রচনাবলী, পৃষ্ঠা: ১৪৬০
১৪৯. Sir Jadunath Sarkar, The History of Bengal: Muslim Period, p. 470
১৫০. প্রাগুক্ত
১৫১. প্রাগুক্ত
১৫২. James Mill, History of British India, Vol. III, p. 168
১৫৩. দেখুন, ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা, বাঙ্গালার ইতিহাস দ্বিতীয় ভাগের বিজ্ঞাপন। প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা: ১৪৫৮
১৫৪. মার্শম্যান লিখেছিলেন: “Seraj ood dowla immediately on his accession, dismissed all his grandfather’s old servants and generals, and took into favour young men of licentious habits, who encouraged him in every vice. They urged him daily to acts of injustice and cruelty, so that neither was any man’s property nor any female’s honour safe.” (John C. Marshman, Outline of the History of Bengal, p. 139)
১৫৫. প্রাগুক্ত, p. IV
১৫৬. James Mill, History of British India,Vol. IIIp. 168
১৫৭. অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, সিরাজদ্দৌলা, পৃষ্ঠা: ২৫৮, ২১৪