জামায়াত আর আওয়ামী লীগের কোনো পার্থক্য নেই

উমামা ফাতেমা

জামায়াত আর আওয়ামী লীগের কোনো পার্থক্য নেই

ফন্ট সাইজ:

একদল মোনাফেকের হাতে পড়ছে দেশের রাজনীতি। জামায়াত আর আওয়ামী লীগের কোনো পার্থক্য নেই বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক মুখপাত্র উমামা ফাতেমা। তিনি বলেন, ‘জামায়াত তাদের গণহত্যার কালিমা ঢাকতে দেশকে যেকোনো পর্যায়ে নিয়ে যেতে রাজি আছে।’ বুধবার রাতে নিজের ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।

ওই পোস্টে উমামা ফাতেমা বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে ১৭ বছরের আন্দোলন সংগ্রামের সাথে ন্যূনতম সম্পর্ক না থাকা মানুষ উড়ে এসে নেতা হয়েছে। সালাউদ্দীন আম্মার তাদের অন্যতম। জুলাই আন্দোলনের সময় সকল ছাত্র সংগঠনকে মাইনাস করে শিবির ও ছাত্রশক্তি কোরামের (গুপ্তশিবির) লোকজনকে সমন্বয়ক কমিটির অন্তর্ভূক্ত করা হয়। তার কারণে ৫ আগস্টের পরে যদু-মধু-কদু এসে সর্বেসর্বা হয়ে গেছে। যেই ...... জুলাই এর স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনকে ভাই-ব্রাদার কোরাম আর শিবিরের হাতে বন্দি করছে, তোদের উপর আল্লাহর গজব পড়ুক। মোনাফেকের দল।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি খারাপ, ওর খারাপ চোখে দেখা যায়। দেশকে নিয়ে আন্দোলনের পর যারা ছেলেখেলা করছে তারা সব দখল করতে চাইছিল। সোশ্যাল মিডিয়ার কন্টেন্টগুলোকে আমি মোটেও নিরীহভাবে দেখিনা। বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য ফেসবুক ম্যানিপুলেশন যথেষ্ট, তাই পর্দার আড়ালের ইন্টারেস্ট গ্রুপগুলা সময়ে সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় জুলাই-এর নামে ম্যানুফ্যাকচারড কনসেন্ট জেনারেট করে। তরুণদের মধ্যে হিরো হিসেবে ম্যানুফ্যাচারড ফিগার আছে অনেক, যারা তরুণদের বর্তমান ও ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সম্ভাবনাকে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে বন্দি করতে কাজ করছে। আমি মায়ানমারের দিকে তাকালে ভয় পাই। রোহিঙ্গা গণহত্যার জন্য ফেসবুক অত্যন্ত এফিশিয়েন্ট টুল ছিল।’
‘এগুলা সম্ভব হইছে আমাদের মধ্যবিত্তের-I hate politics থেকে জুলাইএ হঠাৎ চোখ ফুটার কারণে, আর সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানিপুলেট করে আজকে একে তো কালকে ওকে হিরো বানানোর কারণে।’—উল্লেখ করেন উমামা ফাতেমা।
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের জার্নি এতদিন ছিল ৫০ বছরের। এখন তো জামায়াতের কারণে হিস্ট্রি ব্রিটিশ পিরিয়ড থেকে শুরু করতে হয়। একদল মোনাফেকের হাতে পড়ছে দেশের রাজনীতি। জামায়াত আর আওয়ামী লীগে কোনো পার্থক্য নেই। জামায়াত তাদের গণহত্যার কালিমা ঢাকতে দেশকে যেকোনো পর্যায়ে নিয়ে যেতে রাজি আছে।’