নবীনগরে পূর্ণাঙ্গ ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠার দাবি

ফন্ট সাইজ:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে দেওয়ানি আদালতের পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গ ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠা এবং দ্রুত বিচার কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী ও সাধারণ মানুষ। গত মঙ্গলবার নবীনগর দেওয়ানি আদালত পরিদর্শনে এসে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি মো. জাবিদ হোসেনের কাছে এ দাবি তুলে ধরা হয়। পরিদর্শনকালে তারা আদালতের সার্বিক কার্যক্রম, বিচারিক কার্যক্রম ও আইনজীবীদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি উপস্থিত বিচারপ্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

স্থানীয় বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীরা জানান, ২১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত নবীনগর একটি বৃহৎ উপজেলা। এখানে পূর্ণাঙ্গ ফৌজদারি আদালত না থাকায় ফৌজদারি মামলার বিচার ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের জন্য বিচারপ্রার্থী ও সাধারণ মানুষকে জেলা সদরে যেতে হয়। এতে তাদের অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় হয়। অতীতে নবীনগরে ফৌজদারি আদালতের কার্যক্রম চালু ছিল বলেও তারা জানান। তাদের দাবি, নবীনগরে পূর্ণাঙ্গ ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠা করা হলে স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে এবং বিচারসেবা আরও সহজ ও দ্রুত হবে।

এর আগে নবীনগর দেওয়ানি আদালতের নতুন ভবন নির্মাণ এবং ফৌজদারি মামলা পরিচালনার সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়টি জাতীয় সংসদে তুলে ধরেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট আব্দুল মান্নান। এর পর পরই হাইকোর্টের দুই বিচারপতির আদালত পরিদর্শন বিষয়টিকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। বিচারপতিদ্বয়ের গাড়িবহর আদালত প্রাঙ্গণে পৌঁছালে নবীনগর ও বাঞ্ছারামপুর দেওয়ানি আদালতের সিনিয়র সহকারী জজ মিজানুর রহমান ও আনন্দ পাল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাকিবুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) পিয়াস বসাক, নবীনগর থানার ওসি মো. মোরশেদুল ইসলাম, নবীনগর আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট বিনয় চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আনিছুর রহমানসহ আদালতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইনজীবীরা তাদের অভ্যর্থনা জানান।