হাংঝু এশিয়ান গেমসে সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও তিন গলফারকে না পাঠানোর খেসারত দিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমসে সেই ভুল করেনি লাল-সবুজের দল। দেশের সেরা তিন গলফারই এসেছেন নাগোয়ায়। তাই পদকের আশায় ছিলেন কোচ নাদিম হোসেনও। গত মাসে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, ‘আমার কেন যেন মনে হচ্ছে— আমরা দলগত ইভেন্টে পদক পাবো।’
কিন্তু প্রথম রাউন্ড শেষে সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখা গেল না। ব্যক্তিগত ইভেন্টে বাংলাদেশের সেরা সিদ্দিকুর রহমান। পারের চেয়ে এক শট কম, ৬৯ শটে প্রথম রাউন্ড শেষ করেছেন এশিয়ান ট্যুরজয়ী এই গলফার। আরও চার গলফারের সঙ্গে যৌথভাবে ১৩তম স্থানে আছেন তিনি। বাদল হোসেন খেলেছেন ৭১ শট, পারের চেয়ে এক শট বেশি। আরও পাঁচজনের সঙ্গে যৌথভাবে ২৩তম স্থানে আছেন তিনি। আর জামাল হোসেন মোল্লা ৭৭ শট খেলে পারের চেয়ে পাঁচ শট বেশি নিয়ে যৌথভাবে ৪০তম স্থানে রয়েছেন।
গেমসের দলগত ইভেন্টে ব্যক্তিগত লড়াইয়ের সেরা দুই গলফারের স্কোর যোগ করা হয়। সিদ্দিকুর ও বাদলের সম্মিলিত স্কোর ১৪০, অর্থাৎ পারের সমান। এই স্কোরে ভিয়েতনামের সঙ্গে যৌথভাবে নবম স্থানে বাংলাদেশ।
ব্যক্তিগত লড়াইয়ে শীর্ষে থাকা চাইনিজ তাইপের ওয়েই সুয়ান-ওয়াং ও জাপানের হিগা কাজুকির চেয়ে চার শটে পিছিয়ে সিদ্দিকুর। হিগা আছেন এশিয়ান ট্যুর অর্ডার অব মেরিটের শীর্ষে। দুই সপ্তাহ আগে চাইনিজ তাইপেতে অনুষ্ঠিত ইয়াংডার টিপিসিতে রানার্সআপ হয়েছেন তিনি। সুয়ান হয়েছেন যৌথভাবে চতুর্থ।
এ ছাড়া ৬৬ শট করে যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে আছেন দক্ষিণ কোরিয়ার মুন ডোইয়োব ও চীনের সাম্পসন ঝেং। ভারতের সপ্তক তালোয়ার ও জাপানের কেইতা নাকাজিমাও একই অবস্থানে। কাসুগাই কান্ট্রি ক্লাবের ইস্ট কোর্সে দ্বিতীয় রাউন্ডে বড় পরিবর্তন আনতে না পারলে পদকের লড়াইয়ে টিকে থাকা কঠিন হবে বাংলাদেশের।
এদিকে গেমসের জুডোতে ছেলেদের ৬৬ কেজি ওজন শ্রেণিতে কাতারের সুখরব বুকিয়েভের কাছে হেরেছেন বাংলাদেশের খাদেমুল হাসান মিলু।
