স্মারকলিপি পেশ

দরগাহের সব টাকা সিলেট জেলা প্রশাসকের অ্যাকাউন্টে রাখার দাবি

ফন্ট সাইজ:

হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের দান-খয়রাতের টাকা ভাগ-বাটোয়ারা না করে জেলা প্রশাসনের নির্দিষ্ট ব্যাংকে জমা রাখার জন্য দাবি জানিয়েছে একতাবদ্ধ সিলেটবাসী। বুধবার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে বাণিজ্যমন্ত্রী, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, বিভাগীয় কমিশনারে কাছে দেয়া স্মারকলিপিতে এ দাবি জানানো হয়। জেলা প্রশাসকের পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সাঈদা পারভীন।

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ রেজাউল করিম জালালীর নেতৃত্বে স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন— সিলেট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মইনুল ইসলাম আশরাফী, মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বকুল, এম এ আলী জালালাবাদী, মো. জয়নাল আবেদীন, মুজিবুর রহমান, মুখতার আহমদ তালুকদার, মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহের, রফিকুল ইসলাম সিতাব, তোফায়েল আহমদ, আনোয়ার আহমদ, সৈয়দ ফেরদৌস আহমদ, মো. মখলিছ মিয়া, সৈয়দ রাসেল, ইমতিয়াজ রহমান ইনু, টিপু চৌধুরী, রুবেল আহমদ তালুকদার, আব্দুল শহীদ খান, মো. কামাল মিয়া, মো. সাহেদ আহমদ শান্ত, মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, শামসুল হক, মোহাম্মদ ইমরান হোসেন, মাওলানা শিব্বির আহমদ, মাওলানা সানুল আহমদ, মাওলানা এম. এ রহিম, হাবিবুর রহমান হাবিব প্রমুখ। স্মারকলিপিতে জানানো হয়- গত ১২ই জুন হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার পরিদর্শনে যান সাবেক জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম। তিনি মাজারের আয়-ব্যয়ের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেয়ার ঘোষণা দেন।

এরই অংশ হিসেবে ১৮ই জুন শাহজালাল (রহ.) মাজারে নতুন চারটি দানবাক্স স্থাপন করেন এবং মাজারে মানুষের দানের অর্থ রাখার জন্য থাকা ঐতিহাসিক তিনটি দানের ডেক ও একটি দানবাক্স সিলগালা করা হয়। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে তত্ত্বাবধানে একবারসহ মোট চারবার প্রকাশ্যে মাজারের দানের টাকা হিসাব করা হয় ও জেলা প্রশাসন কর্তৃক নির্দিষ্ট ব্যাংকে টাকা জমা করা হয়। কিন্তু হঠাৎ করে ২২শে সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসক মাজারের দানকৃত টাকা ৬৫ ভাগ খাদেম ও ৩৫ ভাগ উন্নয়ন খাতে ব্যয় হবে বলে ঘোষণা দেন। তারা দাবি করেন- হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের হিসাবনিকাশসহ পূর্ণ বিষয়াদি জেলা প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করবেন। আমরা চাই মাজার সংক্রান্ত পূর্ণ বিষয়াদি যেন জেলা প্রশাসন দ্বারা পরিচালিত হয়।