লালপুরে লাশবাহী এম্বুলেন্সের ধাক্কায় পথচারী নিহত

ফন্ট সাইজ:

সকালে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির সামনে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে দাঁত ব্রাশ করছিলেন সাদেক আলী (৫৯)। রাস্তার পাশে কিছুক্ষণ ধরে হাঁটাহাঁটিও করছিলেন তিনি। হঠাৎ পেছন থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি লাশবাহী এম্বুলেন্স তাকে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি তার। বুধবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে নাটোরের লালপুর উপজেলার ঈশ্বরদী-লালপুর-বানেশ্বর আঞ্চলিক মহাসড়কের উধনপাড়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাদেক উধনপাড়া (হাজির মোড়) গ্রামের মৃত জুড়ান মণ্ডলের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, সকালে বাড়ির সামনে সড়কের পাশে ছিলেন সাদেক। এ সময় রাজশাহী থেকে কুষ্টিয়াগামী তাজ এন্টারপ্রাইজের একটি লাশবাহী এম্বুলেন্স পেছন দিক থেকে তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিষয়টি মানবজমিনকে নিশ্চিত করেন হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক মো. সুরুজ্জামান শামীম। নিহতের ভাতিজা রনি আহমেদ (২০) মানবজমিনকে জানান, দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা উপজেলার অমৃতপাড়া এলাকায় এম্বুলেন্সটি আটক করেন। এ সময় চালক মো. সাইফ খাঁ পালিয়ে গেলেও সহকারী চালক মো. মুসা ইসলাম (২০)কে আটক করা হয়। মুসা ইসলাম মানবজমিনকে বলেন, তারা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে একটি মৃত শিশুর মরদেহ নিয়ে কুষ্টিয়ার চৌড়হাঁসে যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার সময় তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। তার ধারণা, চালকও ঘুমিয়ে পড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। লালপুর থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম পলাশ বলেন, এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।