দুদকের প্রেস ব্রিফিং চ্যালেঞ্জ করে আসিফ মাহমুদের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ, নিয়মিত বেঞ্চে যাওয়ার সিদ্ধান্ত

দুদকের প্রেস ব্রিফিং চ্যালেঞ্জ করে আসিফ মাহমুদের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ, নিয়মিত বেঞ্চে যাওয়ার সিদ্ধান্ত

ফন্ট সাইজ:

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রেস ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এনসিপির মুখপাত্র ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দায়ের করা রিট আবেদনটি কার্যতালিকা (কজ লিস্ট) থেকে বাদ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে আবেদনটি খারিজ (রিজেক্ট) করা হয়নি; অবকাশকালীন ছুটি শেষে নিয়মিত আদালত চালু হলে এটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন আবেদনকারীর আইনজীবী। মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর অবকাশকালীন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এদিন মামলাটি শুনানির জন্য ১১২ নম্বর ক্রমিকে ছিল। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেয়ার আদেশ দেন।

শুনানি শেষে আসিফ মাহমুদের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা সাংবাদিকদের বলেন, অবকাশকালীন বেঞ্চের আজই শেষ কার্যদিবস ছিল। আদালত কোনো আবেদন খারিজ করেননি, বরং বেশ কয়েকটি মামলাই কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন। ফলে আইনগতভাবেই নিয়মিত আদালত খুললে অন্য বেঞ্চে এটি উপস্থাপনের সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, বিষয়টি বর্তমানে বিচারাধীন (সাব-জুডিস)। দুদকের নিজস্ব ২০১১ সালের ‘তথ্য অবমুক্তকরণ নীতিমালা’র ৩(৫) ও পরিশিষ্ট ৫ সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করে এই ব্রিফিং করা হয়েছে। ওই নীতিমালায় নির্ধারিত ছকের বাইরে গিয়ে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার মতো তথ্য প্রকাশ করার কোনো আইনি এখতিয়ার দুদকের নেই। তিনি আরও জানান, সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনের বিধান ছাড়া কোনো ব্যক্তির সুনাম ক্ষুন্ন করা যায় না।

অবকাশকালীন ছুটি শেষে নিয়মিত আদালত বসলে এই যুক্তিগুলো তুলে ধরে পুনরায় রিট আবেদনটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে।
উল্লেখ্য, গত রোববার দুদকের ২রা ও ১৩ই সেপ্টেম্বরের দুই ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনটি করেন আসিফ মাহমুদ। আবেদনে বলা হয়, অনুসন্ধান শুরুর পর্যায়েই আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার ঘোষণা দিয়ে দুদক ওই দুই ব্রিফিং করেছে। এটি সংস্থাটির ‘তথ্য অবমুক্তকরণ নীতিমালা-২০১১’ এবং সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে থাকা নাগরিকের মর্যাদা ও সুনাম সুরক্ষার বিধানের পরিপন্থি।