সার ডিলার নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

সার ডিলার নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

ফন্ট সাইজ:

পাবনার সাঁথিয়ায় নতুন সার ডিলার নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্য শুরু হয়েছে। টাকা নিয়ে ম্যারাথন দৌড়ে ছুটছে আবেদনকারীরা। ঘুষ নিয়ে চলছে প্রতিযোগিতা। সুবিধাভোগী একটি চক্র ডিলারশিপ পাইয়ে দেয়ার অবৈধ বাণিজ্য গড়ে তুলেছে। জানা যায়, ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ৩৬৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনে উপজেলা সাঁথিয়া। উপজেলাটি কৃষি প্রধান হওয়ায় সারের চাহিদা তুলনামূলক অনেক বেশি। ১১ জন বিসিআইসি ডিলার ও ২২ জন বিএডিসি সার ডিলার রয়েছেন। কৃষক সরকারি মূল্যে সার না পাওয়ায় তীব্র সংকট সৃষ্টি হওয়াতে আরও ১১ জন সরকার অনুমোদিত ডিলার নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়। ডিলার নিয়োগের ঘোষণার পর পরই ১১ জনের বিপরীতে ১৭৯ জন প্রার্থী আবেদন করেন। শুরু হয় ডিলারশিপ পাওয়ার প্রতিযোগিতা। প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা মূল্য উঠেছে। প্রার্থী জেলা থেকে শুরু করে ঢাকা পর্যন্ত ছুটছে।

ধরনা দিচ্ছে রাজনৈতিক নেতাকর্মী, আমলা, ব্যবসায়ীদের কাছে। ভিন্ন ব্যক্তির নামে ডিলারশিপ নিয়ে ব্যবসা করছেন অনেকে। এরাই সিন্ডিকেট করে সার সংকট সৃষ্টি করছে। কৃষি কর্মকর্তারা জেনেও না জানার ভান করে আছে। কৃষি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সারের অভাবে চলতি মৌসুমে সাঁথিয়ায় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে না। চলতি মৌসুমে সারা দেশের ন্যায় সাঁথিয়াও সার সংকট শুরু হয়। কৃষকরা দিনের পর দিন ঘুরে পাচ্ছে না সরকারি মূল্যে সার। সরকারি ২৭ টাকা মূল্যের পরিবর্তে ৩৩/৩৫ টাকা কেজি ইউরিয়া সার, ডি,এ,পি ২১ টাকা কেজির পরিবর্তে ৩৫ টাকা কেজি ও টিএসপি ১৩৫০ টাকার পরিবর্তে ১৭০০/১৮০০ টাকা মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। সাঁথিয়া উপজেলায় নতুন ডিলার নিয়োগের যাচাই বাছাই কমিটি ৩৩ জনের নাম চূড়ান্ত করে জেলায় পাঠিয়েছে। জেলা থেকে ঢাকায় পাঠানো হবে বলে জানা যায়। প্রার্থীরা এখন ঢাকায় বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে ধরনা দিচ্ছে। উপজেলা সার, বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেলিম আহম্মেদ বলেন, নতুন সার ডিলার নিয়োগে টাকার বিষয়ে আমার জানা নেই। ঘুষ দেয়া প্রমাণিত হলে তদন্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।