নড়াইলের কালিয়ায় মাদকসেবনে বাধা দেয়ায় দিনমজুর মানসুর মোল্যা (৪৫)কে কুপিয়ে হত্যা করে মাদকাসক্ত হাসিব (২২)। ঘটনার পর থেকে খুনি হাসিব পলাতক ছিলেন। তবে সোমবার সকালে কালিয়া থানায় গিয়ে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। হাসিব কদমতলা গ্রামের লিপটন মোল্যার ছেলে। কালিয়া থানার ওসি ইদ্রিস আলী সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত হাসিব থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন। সোমবার দুপুর পর্যন্ত এ হত্যার ঘটনায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি। জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি। এদিকে, ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা জানান, মাদকসেবনে বাধা দেয়ায় গত শুক্রবার নড়াইলের পেড়লী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার (সদস্য) কাসেদ মোল্যার সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে হাসিব কাসেদ মোল্যাকে কিল-ঘুষি মারেন।
এরপর শনিবার রাত ১০টার দিকে হাসিব ত্রি-মোহনা মোড়ের দোকানে যায়। এ সময় কাসেদের চাচাতো ভাই মানসুর ও নূর ইসলাম অভিযুক্ত হাসিবের কাছে জানতে চান, কেন কাসেদের গায়ে হাত তোলা হয়েছে। এ সময় ধারালো ছুরি বের করে হাসিব ভুক্তভোগী মানসুর ও নূর ইসলামকে কোপাতে থাকেন। এ সময় গুরুতর আহত মানসুরকে খুলনায় নেয়ার পথে মারা যান। আহত নূর চিকিৎসাধীন আছেন। নিহত মানসুর কদমতলা গ্রামের হাবী মোল্যার ছেলে। এ ব্যাপারে ইউপি মেম্বার কাসেদ মোল্যা বলেন, হাসিব দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। তাকে মাদকসেবন করতে নিষেধ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে লাঞ্ছিত করে। এরপর ছুরিকাঘাতে মানসুর ও নূর ইসলামকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এলাকাবাসী খুনি হাসিবের বিচার দাবি করেছেন।
