আরও এক মাস এলএনজি দেবে না কাতার, চাপে বাংলাদেশ-পাকিস্তান

আরও এক মাস এলএনজি দেবে না কাতার, চাপে বাংলাদেশ-পাকিস্তান

ফন্ট সাইজ:

হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি পরিবহনে অস্থিরতা অব্যাহত থাকায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ আরও এক মাস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাতার। কাতারএনার্জির এই সিদ্ধান্তের ফলে দুই দেশে এলএনজি সরবরাহের অনিশ্চয়তা নভেম্বর পর্যন্ত গড়াতে পারে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহনে বাধা অব্যাহত থাকায় এশিয়া ও ইউরোপে এলএনজি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম ও সরবরাহ সংকটের চাপ আরও কিছুদিন থাকতে পারে।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত কয়েকজন ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কাতারএনার্জি চলতি সপ্তাহে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানকে জানিয়েছে, নভেম্বর পর্যন্ত তাদের এলএনজি চালান বাতিল থাকবে।
আরও দুই ব্যক্তি জানিয়েছেন, ভারতের অন্তত একজন এলএনজি ক্রেতাকেও একই ধরনের বার্তা দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে ইতালির জ্বালানি কোম্পানি এডিসন এসপিএ জানিয়েছে, তাদের এলএনজি সরবরাহ ডিসেম্বরের শুরু পর্যন্ত স্থগিত থাকতে পারে।

কাতারএনার্জি এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেয়নি। ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই এলএনজি সরবরাহে ধারাবাহিকভাবে সমস্যার কথা জানিয়ে আসছে কাতারএনার্জি। প্রায় প্রতি মাসেই ক্রেতাদের ‘ফোর্স মেজর’ বা নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা পরিস্থিতির কথা জানিয়ে নির্ধারিত কিছু চালান বাতিল করছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হওয়ায় এর প্রভাব শুধু বাংলাদেশ ও পাকিস্তানেই নয়, এশিয়া ও ইউরোপের বৃহত্তর এলএনজি বাজারেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।