ফেয়ারফোর্ডের কাছে বড় ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশের অভিযান, গ্রেপ্তার ৫

ফেয়ারফোর্ডের কাছে বড় ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশের অভিযান, গ্রেপ্তার ৫

ফন্ট সাইজ:

বৃটেনের গ্লুচেস্টারশায়ারে আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটির কাছে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতি ও বিস্ফোরক সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে ওই খবর পাওয়ার পর বড় ধরনের জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করা হয়। বিমানঘাঁটির কাছাকাছি কয়েক ডজন বাড়ির বাসিন্দাকেও সরিয়ে নেয়া হয়। ওই ঘাঁটিটি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনী (ইউএসএএফ)। এর কাছে থাকা যানবাহনগুলো পরীক্ষা করেন সেনাবাহিনীর বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়করণ দলের সদস্যরা। এই ধারা অব্যাহত আছে। পুরো ঘটনার তদন্তে নেতৃত্ব দিচ্ছে সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশ। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।

এতে আরও বলা হয়- কাছের ওয়েলফোর্ড গ্রামের যেসব বাসিন্দাকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে, তাদেরকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে যে রোববার রাতে তারা নিজেদের বাড়িতে ফিরতে পারবেন না। তবে কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা মনে করছেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

আকাশ থেকে তোলা ছবিতে দেখা গেছে, একটি রিমোট নিয়ন্ত্রিত রোবট বনাঞ্চলের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা সাদা রঙের কয়েকটি ভ্যানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে পুলিশ ওই রোবট ব্যবহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। ঘটনাস্থলের চারপাশে ৪০০ মিটার এলাকাজুড়ে নিরাপত্তাবেষ্টনী তৈরি করা হয়েছে। বড় ধরনের জরুরি সেবার অংশ হিসেবে সেখানে বিপজ্জনক পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ প্রশিক্ষিত একটি দলও মোতায়েন করা হয়। বিমানঘাঁটির কাছে ঘটে যাওয়া গভীরভাবে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর রাখছিলেন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।

ঘাঁটির সঙ্গে মার্কিন সামরিক বাহিনীর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। সম্প্রতি ইরানে প্রতিরক্ষামূলক হামলা চালানোর জন্য মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলো এটিকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করেছে। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা বড় ধরনের ক্ষতি করার চেষ্টা করছিলেন। তিনি আরও বলেন, আমরা তাদের দীর্ঘ সময় ধরে নজরদারিতে রেখেছিলাম এবং শেষ পর্যন্ত তাদের ধরে ফেলেছি। বৃটেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং জানিয়েছেন, তিনি তার মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।