ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের অভিষেক হয় মালয়েশিয়ার বিপক্ষে হার দিয়ে। সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে আগামীকাল নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামবে টমাস ডুলির শিষ্যরা। এ ম্যাচে সিঙ্গাপুরকে হারানোর লক্ষ্য ফরোয়ার্ড শেখ মোরসালিনের।
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে শুরুর একাদশে জায়গা পাননি তিনি। তিন গোল হজমের পর দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে মাঠে নামে চোট কাটিয়ে ফেরা এ ফরোয়ার্ড। মোরসালিন মাঠে নামার পর আক্রমণভাগে বাংলাদেশের গতি বাড়ে। তবে হারের ব্যবধান কমাতে পারেনি টমাস ডুলির শিষ্যরা। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে শুরুটা হার দিয়ে হলেও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে জয় চান মোরসালিন। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আমরা জিততে চেয়েছি। কিন্তু জিততে পারি নাই, এজন্য সবারই একটু মন খারাপ স্বাভাবিক, ম্যাচ হারার পরে খারাপ লাগবে। আমরা এখন চিন্তা করছি পরের ম্যাচটা নিয়ে। কীভাবে পরের ম্যাচটি জিতবো, ওই পরিকল্পনা করছি। আমরা তো এখানে জিততে এসেছি।
সবার মনে করা উচিত, আমরা এই টুর্নামেন্ট জিততে এসেছি। তাই আমরা পরের ম্যাচ জিততে চাই, এটা আমাদের টার্গেট।’ মালয়েশিয়া ম্যাচের পর দুই দিনের বিরতি পেয়েছে বাংলাদেশ দল। প্রথম ম্যাচে যারা বেশি সময় মাঠে ছিলেন, তাদের গতকাল বিশ্রামে রাখেন ডুলি। আর কম খেলা বা একেবারেই মাঠে না নামা খেলোয়াড়েরা অনুশীলন করান হেড কোচ। এদিন অনুশীলনে ছিলেন মোরসালিন। সিঙ্গাপুর অবশ্য বাংলাদেশের জন্য একেবারে নতুন প্রতিপক্ষ নয়। এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে আগে দুবার তাদের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে হারে ২-১ গোলে। আর অ্যাওয়ে ম্যাচে হাভিয়ের কাবরেরার শিষ্যরা প্রায় রুখে দিয়েও শেষরক্ষা করতে পারেননি। হারতে হয় ১-০ গোলে। ফিফা আসিয়ান কাপে সিঙ্গাপুরের শুরুটাও ভালো হয়নি। নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার কাছে ২-০ গোলে হারে তারা।
