আশুলিয়ায় গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত ৪ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান

ফন্ট সাইজ:

সাভারের আশুলিয়ায় প্রীতি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেডের কারখানা চত্বরে কাভার্ডভ্যানে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত চারজনের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে প্রীতি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেডের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের হাতে এ অর্থ তুলে দেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সহ-সভাপতি রেজওয়ান সেলিম। এ সময় প্রতিটি পরিবারকে ৩ লাখ করে নগদ মোট ১২ লাখ টাকা দেয়া হয়। নগদ অর্থ সহায়তা পাওয়া নিহতরা হলেন- জয়নব বেগম, সবজি বিক্রেতা নজরুল ইসলাম, কাভার্ডভ্যানের চালক শামছুল আলম এবং হেলপার মানিক।

কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, নিহতদের দাফন ও আনুষঙ্গিক খরচের জন্য প্রত্যেক পরিবারকে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা করে দেয়ার পাশাপাশি মরদেহের ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার যাবতীয় খরচও প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বহন করা হয়েছে। কারখানা কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এসব মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট পরিবারকেও একই পরিমাণ ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকার অংশ হিসেবেই এ আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি শনাক্ত না হওয়া মরদেহগুলোর পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের পরিবারের জন্যও একই ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করা হবে। অর্থ সহায়তা প্রদানের সময় বিজিএমইএ’র হেড অব ক্রাইসিস মনসুর খালেদ, আরবিট্রেশন কমিটির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, প্রীতি গ্রুপের অ্যাডমিন ডিরেক্টর অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মহিউদ্দিন, প্রীতি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেডের এইচআর অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স জিএম কামরুল ইসলাম, জিএম (প্রশাসন) অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আরমান, মানবসম্পদ বিভাগের ম্যানেজার মাজহারুল ইসলামসহ শ্রমিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত. গত ২০শে সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় আশুলিয়ার জামগড়ায় প্রীতি গ্রুপের কারখানা চত্বরে গ্যাস সিলিন্ডারবাহী একটি কাভার্ড ভ্যানে আগুন ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রথমে একটি সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ হলেও পরে একের পর এক বিস্ফোরণে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলসহ আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভয়াবহ এ ঘটনায় ৮ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন।