ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনে ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউ ইয়র্ক’ হোটেলে এ বৈঠক হয়। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের পাশাপাশি বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
পরে এক ব্রিফিংয়ে আলোচনার বিষয়বস্তু পরে তুলে ধরেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, ‘আমাদের কনটেইনারগুলো—অনেক জাহাজ আটক আছে। কনফ্লিক্টের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ। সেজন্য আমরা আহ্বান জানায়েছি ইরানের প্রেসিডেন্টকে যে, আমরা দ্রুত এটা সমাধান চাই এবং ডিপ্লোমেসির মাধ্যমে যাতে এই যুদ্ধের একটা সমাধান হয়।’
‘এই সমাধান হওয়ার পরে যুদ্ধের কারণে আমাদের যে জাহাজগুলো আটকে আছে, সেগুলো নিরাপদে দেশে আসতে পারে—এ ব্যাপারে উনারা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এই সহযোগিতা আমরা চেয়েছি।’ বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ মনে করে যে, জাতিসংঘ একটি নিরপেক্ষ জায়গা…এই নিরপেক্ষ জায়গা ইরানের প্রেসিডেন্ট উপস্থিত…এখানে আমাদের একটা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রায় ৮ মিলিয়ন প্রবাসী ওয়ার্কার্স মধ্যপ্রাচ্যে কাজ করেছেন।
এখানে যদি সিচুয়েশনটা পিসফুল একটা রেজুলশনের দিকে না যায়; এই কনফ্লিক্টের ইমপ্যাক্ট তাহলে আমাদের দেশেও পড়বে, রেমিটেন্সের ওপর পড়বে… এটা আমাদের একটা ডিপ কনসার্ন।’
বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন উপস্থিত ছিলেন।
