উপনিবেশোত্তর সমাজ ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর প্রসঙ্গে

ইতিহাস, ভাষা ও শিক্ষার ঔপনিবেশিক রাজনীতি- ৮

উপনিবেশোত্তর সমাজ ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর প্রসঙ্গে

ফন্ট সাইজ:

তবে, বিপান চন্দ্রের মতে, “এই দুটো বিপরীতমুখী প্রক্রিয়া, কারণ ও ফলাফলের দিক থেকে, ছিল পরস্পর নির্ভরশীল- ব্রিটেন ও ভারতের ভেতরকার বাণিজ্য, আর্থিক সংস্থান ও প্রযুক্তিসংক্রান্ত অর্থনৈতিক সম্পর্কের গোটা কাঠামোটি ব্রিটেনের ওপর ভারতের নিরন্তর ঔপনিবেশিক নির্ভরতা ও অনুন্নয়ন সৃষ্টি করেছে।”৩২ পরবর্তীকাল, ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষে, ‘ভারত পরিপূর্ণভাবে ব্রিটেনের একটি ধ্রুপদী উপনিবেশে রূপান্তরিত হয়ে পড়ে’- ‘ব্রিটিশ উৎপাদক শ্রেণির জন্য একটি বিশাল বাজার, খাদ্যদ্রব্যসহ তার পণ্যের কাঁচামালের বিশাল উৎস এবং ব্রিটিশ পুঁজি বিনিয়োগের একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে পরিণত হয় ভারত’। অবশেষে বহু বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের মুখে, বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে, ভারত ও পাকিস্তান নামে বিভক্ত হয়ে দুটো স্বাধীন দেশ তৈরি হওয়ার মাধ্যমে, ভারতবর্ষে ব্রিটিশ উপনিবেশবাদী শাসনের অবসান ঘটে।

এই দীর্ঘকাল ধরে ভারতবর্ষকে ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনস্থ রাখার জন্য, অপরাপর অঞ্চল ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তির মতোই, তৎকালীন ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি যে তিনটি প্রধান কৌশল অবলম্বন করেছে, এবার আমরা একে একে সেগুলো আলোচনা করবো। প্রথমেই, উপনিবেশিত অঞ্চলে নতুন কায়েমি স্বার্থ সৃষ্টি ও তার ভিত্তিতে কায়েমি স্বার্থবাদী একটি নতুন দালাল শ্রেণি তৈরির প্রসঙ্গ।

ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রশাসন ১৬৬৫ সালে স্বাক্ষরিত ‘এলাহাবাদ চুক্তি’র অধীনে ‘দেওয়ানি’ লাভের পর, দিল্লিকে প্রদেয় নির্ধারিত পরিমাণ রাজস্বের অতিরিক্ত, যা কোম্পানির প্রাপ্য লভ্যাংশ হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে, তা আদায়ের জন্য বাংলা প্রদেশে, ভূমি সংস্কারের নামে, একটি নতুন জমিদার শ্রেণি সৃষ্টির প্রয়াস গ্রহণ করে। উল্লেখ্য যে, মুঘল আমলেও এই অঞ্চলে জমিদারি ব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল এবং সে ব্যবস্থার অধীনে দিল্লিতে অধিষ্ঠিত মুঘল সরকার ভূমিকে সাধারণভাবে ‘রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি’ হিসেবে বিবেচনা করতো এবং সেই ভূমিতে কর্ষণকারী প্রজাদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট হারে ভূমি-রাজস্ব আদায়ের ভার ন্যস্ত ছিল স্থানীয় জমিদারদের ওপর- যারা আদায়কৃত রাজস্ব থেকে পূর্বনির্ধারিত হারে সম্রাটের প্রাপ্য অংশ দিল্লির দরবারে পাঠিয়ে দিতো।

এমতাবস্থায়, অতিরিক্ত রাজস্ব আয়ের জন্য অর্থলোলুপ কোম্পানি ও তার কর্মকর্তাদের অত্যাচারে বাংলা ও বিহারের প্রজাসাধারণ যেমন নানাভাবে নিপীড়নের শিকার হয়, তেমনি, কোম্পানিকে অতিরিক্ত কর প্রদানে ব্যর্থতার দায়ে, পুরনো ‘অভিজাত জমিদার গোষ্ঠী প্রায় বিলীন হয়ে যায়’, আর ‘ওই স্থানসমূহ দখল করে ইংরেজ সরকারের পা-চাটা দালাল, অত্যাচারী ও নিপীড়নকারী কুখ্যাত কিছু লোক, যাদের কাছে ধর্মাধর্ম ও ন্যায়-অন্যায় বলে কোনো বিষয় ছিল না’।৩৩ পুরনো জমিদারদের অধিকাংশই ছিলেন স্থানীয় ভূমি-সংলগ্ন, কৃষকের সঙ্গে তাদের একটি জৈবিক সম্পর্ক ছিল; কিন্তু কোম্পানি-সৃষ্ট এই নতুন জমিদারদের সঙ্গে স্থানীয় ভূমি ও কৃষকের কোনো প্রত্যক্ষ সম্পর্ক ছিল না- ‘রাজস্ব আদায়ের জন্য কোনো সুষ্ঠু ব্যবস্থা প্রবর্তনের ঝক্কি এড়ানোর জন্য তারা একটি মধ্যস্বত্বভোগী গোষ্ঠীর কাছে এই দায়িত্ব ইজারা দিয়ে দেয়’।৩৪ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, তার কর্মকর্তাবৃন্দ ও নতুনভাবে সৃষ্ট এই কায়েমি স্বার্থবাদী নতুন জমিদারদের মিলিত লুণ্ঠন ও অত্যাচারের ফলেই ১৭৬৯-৭০ সালে বাংলায় বীভৎস দুর্ভিক্ষের সৃষ্টি হয়েছিল, যার করুণ পরিণতি হিসেবে তৎকালীন বাংলার এক-তৃতীয়াংশ মানুষ অকাল-মৃত্যুর শিকার হয়।

ইতিহাস-কুখ্যাত এই করাল দুর্ভিক্ষের কারণে বাংলার এই জমিদার শ্রেণি কৃষকদের কাছ থেকে পূর্ববর্তী বছরগুলোর সমপরিমাণে কর আদায়ে ব্যর্থ হয়, ফলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে পুরনো পরিমাণে কর প্রদানে ব্যর্থ হয়। ফলে, যেকোনো পরিস্থিতিতে ‘কোম্পানির নির্দিষ্ট পরিমাণ করপ্রাপ্যতা নির্বিঘ্ন রাখার লক্ষ্যে, কোম্পানির তরফে, ভূমির স্থায়ী মালিকানা-ভিত্তিক নতুন বন্দোবস্ত প্রবর্তনের পক্ষে ওকালতি শুরু হয়’।৩৫ এই প্রক্রিয়ায়, শেষ পর্যন্ত, কোম্পানির ভারতীয় গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংসের (১৭৩২-১৮১৮) আমলে, ১৭৭২ সালে, মুঘল আমলের পুরনো ভূমি-ব্যবস্থাপনা পরিত্যাগ করে, ভূমিতে ব্যক্তিগত মালিকানা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি উপনিবেশবাদী নতুন ভূস্বামী বা জমিদার শ্রেণি সৃষ্টির জন্য, নির্দিষ্ট পরিমাণ বাৎসরিক রাজস্ব প্রদানের শর্তে, ব্যক্তিবিশেষের অনুকূলে দশসালা ভূমি বন্দোবস্ত প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। পরবর্তীকালে, ১৭৯৩ সালে, ভারতে কোম্পানির গভর্নর জেনারেল চার্লস কর্নওয়ালিসের (১৭৩৮-১৮৩৫) আমলে, দশসালা ব্যবস্থা পরিবর্তন করে, নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ বাৎসরিক রাজস্ব প্রদানের বিনিময়ে, জমির চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বাংলায় জমির চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তনের অনুকূলে সংশ্লিষ্ট ব্রিটিশ কর্মকর্তারা যুক্তি হাজির করেছিলেন যে, “বাংলার জমিদারদের যদি জমির মালিক ঘোষণা করা হয় এবং সে মালিকানা যদি চিরস্থায়ী ভিত্তিতে স্থাপিত হয়, তাহলে তারা নিরাপদ বোধ করবে এবং [...] ভূমি উন্নয়নে মনোযোগী হবে, এবং জমিদারকর্তৃক ভূমিতে পুঁজি বিনিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে [...] একটি কৃষি বিপ্লব সংঘটিত হবে।” ফলে, ‘কোম্পানি সরকার ও দেশবাসী’- উভয়েই উপকৃত হবে।৩৬ হেস্টিংসের মতে, “ইতিপূর্বে, বাংলার ওপর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সার্বভৌমিক আধিপত্যকে, ব্যবসা-বাণিজ্যে বিনিয়োগের মাধ্যমে মুনাফা অর্জনের পরিবর্তে, শুধু এ অঞ্চলে আদায়কৃত করের উদ্বৃত্ত্যাংশ স্বদেশে [ইংল্যান্ডে] প্রেরণ [পড়ুন পাচার] করার মাধ্যম হিসেবেই ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ যেই অঞ্চল থেকে এই বিশাল পরিমাণ কর আদায় করা হয়েছে, সেই অঞ্চলের সমৃদ্ধির জন্য কোনো ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।”৩৭ তার বিশ্বাস ছিল, ভূমির স্থায়ী বন্দোবস্ত কোম্পানি সরকারের কর থেকে উপার্জন বৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলার সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।

ভারতীয় ঔপনিবেশিক ইতিহাসের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করলে সহজেই বোঝা যায়, লন্ডনকেন্দ্রিক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি হেস্টিংসের পর্যবেক্ষণকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছিল। কেননা, হেস্টিংসকে তারা শুরুতে, বাংলার ভূমিতে ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত’ প্রবর্তনের প্রাক্কালে, ‘দশসালা বন্দোবস্ত’ প্রবর্তনের অনুমতি যেমন দিয়েছিল, তেমনি অতিউৎসাহের সঙ্গে ‘ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে অধিকতর হারে মুনাফা অর্জনের’ পরামর্শও গ্রহণ করেছিল।

হেস্টিংস-প্রবর্তিত ভূমির ‘স্থায়ী বন্দোবস্ত’ প্রবর্তনের মাধ্যমে, ইতিহাস সাক্ষী, বাংলার সামন্ততান্ত্রিক কৃষিব্যবস্থার তুলনামূলকভাবে উন্নততর পুঁজিতান্ত্রিক রূপান্তর সংঘটিত হয়নি। এই ‘বন্দোবস্ত’ বরং বাংলার কৃষক ও রায়তদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল নির্মম এক জমিদারি-মহাজনি শোষণ-নিপীড়নমূলক সম্পর্ক। তার প্রাক্কালে, উক্ত বন্দোবস্তের অধীনে সময়মতো কর পরিশোধে ব্যর্থতার দায়ে, অষ্টাদশ শতক শেষ হওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই, পুরনো ভূম্যাধিকারী অনেক ‘বড় বড় রাজা-মহারাজা’ [...] বিলীন হয়ে গেলেন এবং তাদের ধ্বংসস্তূপের ওপর সৃষ্টি হলেন অসংখ্য নতুন জমিদার, যারা পেশাগতভাবে আগে ছিলেন ব্যবসায়ী, সরকারি [ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি] ও জমিদারি আমলা’।৩৮ মুঘল শাসনাধীন পুরনো জমিদার শ্রেণি ভূমিসংলগ্ন আপন আপন জমিদারিতেই তারা বসবাস করতেন। ফলে, জমিদারি শোষণ-শাসনের পাশাপাশি, নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে তারা কৃষকদের প্রতি কিছু ‘বদান্যতা’ ও প্রদর্শন করেছেন; কিন্তু ব্রিটিশ-প্রবর্তিত ভূমির চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের অধীনে সৃষ্ট নতুন কায়েমি স্বার্থের প্রতিভূ এই নতুন জমিদার শ্রেণির অধিকাংশই বসবাস করতেন কলকাতা শহরে, বিপদ-আপদগ্রস্ত কৃষক সমাজের আহাজারি জমিদারদের কান পর্যন্ত পৌঁছানোরও সুযোগ ছিল না- এই ব্যাপারে তাদের কোনো আগ্রহ ছিল বলেও জানা যায় না। সর্বোপরি, এই নব্য জমিদাররা ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসনের একনিষ্ঠ সহযোগী ও সেবকে পরিণত হয়েছিলেন। সাধারণভাবে এই নব্য জমিদার শ্রেণিটি ও বিশেষভাবে তার ‘ইংরেজি-শিক্ষিত’ পরবর্তী প্রজন্ম, যার অধিকাংশই ছিলেন কলকাতা-ভিত্তিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী বাঙালি, যারা ভারতের ইতিহাসে ‘বাবু-সম্প্রদায়’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিলেন, তাদের অধিকাংশই উনিশ শতকের সিংহভাগ জুড়ে উপনিবেশবাদী ব্রিটিশ শাসকদের ভারতের ‘পরিত্রাতা’ ও তাদের ঔপনিবেশিক শাসনকে ভারতের জন্য ‘আশীর্বাদ’ হিসেবে বিবেচনা ও প্রচার করার মাধ্যমে গোটা ভারতবর্ষে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বুদ্ধিবৃত্তিক ন্যায্যতা জুগিয়েছেন।

এ সিদ্ধান্তের সমর্থনে উনিশ শতকীয় ইংরেজি-শিক্ষিত প্রভাবশালী বাঙালি শিক্ষাবিদ রাজনারায়ণ বসুর (১৮২৬-১৮৯৯) উপনিবেশবাদী অসহায় অবস্থান তুলে ধরা যায়। ১৮৭৩ সালের মার্চে কলকাতায় প্রদত্ত তার ‘সেকাল আর একাল’ বক্তৃতায় বসু লিখেছেন, “আমরা নিশ্চয় জানি যে, আমরা আত্মশাসনে অক্ষম। আমাদিগকে এক্ষণে অনেকদিন পরাধীন হইয়া থাকিতে হইবে। এক প্রভু গিয়া আর এক প্রভু হইতে পারে, কিন্তু হয়তো সেই প্রভু, আমাদিগের বর্তমান প্রভুরা যত ভালো, তত ভালো না হইতেও পারেন। অতএব, এতদ্দেশ্যে ইংরাজদিগের রাজত্ব স্থায়ী হয়, আমরা ঈশ্বরের নিকট কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করিয়া থাকি।”৩৯

তারপর তিনি আক্ষেপ করে লিখেছেন, “কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে, আমাদিগের ইংরেজ রাজপুরুষেরা আমাদিগের ন্যায্য আশা পূরণ করেন না। পূর্বে সাহেবেরা এতদ্দেশীয়দিগের প্রতি যেরূপ সদয় ব্যবহার করিতেন, এক্ষণে প্রায় সেরূপ ব্যবহার করেন না। [...] এ দেশের প্রতি সাহেবদিগের পূর্বাপেক্ষা মমতা কমিয়া গিয়াছে, আর সেরূপ বাঙালি কর্মচারীর বাড়িতে গিয়ে কোন সাহেব তাহার কুশল জিজ্ঞাসা করেন না, এবং তাহার সন্তানদিগকে আদর করেন না।”৪০
শাসক ইংরেজের বন্ধুত্ব ও করুণা হ্রাসের পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট শাসিতের এই কাতর আক্ষেপের ভেতর কোনো জাতীয়তাবাদী মর্যাদাবোধের লেশমাত্র অস্তিত্ব নেই।

তথ্যসূত্র:
৩২. প্রাগুক্ত, p. 16-17
৩৩. মোঃ মাহমুদ আলী, পূর্ববঙ্গের জমিদারবাড়ি, পৃষ্ঠা: ২০-২১
৩৪. প্রাগুক্ত, p. 19
৩৫.Janam Mukharjee, Hungry Bengal : War, Famine, Riots and the End of Empire, p. 28
৩৬. সিরাজুল ইসলাম, “চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ও কৃষি অর্থনীতি”, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৭০৪-১৯৭১), দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা: ২৬৫
৩৭. Warren Hastings, Memoirs Relative to the State of India, pp. 142-143
৩৮. সিরাজুল ইসলাম, “চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ও কৃষি অর্থনীতি”, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৭০৪-১৯৭১), দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা: ২৭০
৩৯. রাজনারায়ণ বসু, সেকাল আর একাল, পৃষ্ঠা : ৬৮-৬৯
৪০. প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা: ৬৯