ফিটনেস টেস্টে ক্রিকেটারদের যে সুযোগ

ফন্ট সাইজ:

জাতীয় ক্রিকেট লীগ মাঠে গড়াবে ৩রা অক্টোবর থেকে। এর আগে গতকাল চার দলের ফিটনেস পরীক্ষা হয়েছে। ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহের ক্রিকেটাররা এতে অংশ নেন। ফেল করা ক্রিকেটারের সংখ্যা ১১ ছাড়িয়েছে। তবে ক্রিকেটাররা পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পাবেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ট্রেনার ইফতেখার ইফতি বিষয়টি জানান।
তিনি বলেন, ‘এনসিএল শুরুর আগে খেলোয়াড়দের ফিটনেস যাচাইয়ের কাজ চলছে। বোর্ড ক্রিকেটারদের নিয়ে পরিকল্পনা সাজিয়েছে। মাঠে নামার জন্য সবাইকে পাস করতে হবে। যারা পাস করেননি, তাদের ফিটনেস নিয়ে কাজ করবে বিসিবি। নিয়ম অনুযায়ী ক্রিকেটারদের ফিটনেসের মান বাড়ানো হবে। বোর্ডের অধীনে ক্রিকেটাররা প্রশিক্ষণ নেবেন। টুর্নামেন্টে খেলার বিষয়ে বোর্ড সিদ্ধান্ত জানাবে। ট্রেনাররা ক্রিকেটারদের খাবারের দিকে নজর রাখবেন। বোর্ডের তত্ত্বাবধানে ক্রিকেটারদের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। মাঠে নামার জন্য ফিটনেস লাগবে।’

ফেল করা ক্রিকেটাররা সুযোগ পাবেন। ইফতি জানান, দশদিন পর ক্রিকেটারদের পরীক্ষা নেয়া হবে। সেখানে ফেল করলে আরও দশদিন পর পরীক্ষা হবে। বোর্ড এই সুযোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ক্রিকেটারদের ফিটনেস ফেরানোর দায়িত্ব নেবে বিসিবি। ক্রিকেটারদের ফিটনেস বাড়ানোর বিষয়ে কথা বলেন ট্রেনার ইফতি। খেলোয়াড়দের ফিটনেসের উন্নতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘ফেল করলে শেষ পর্যন্ত কোথাও যাওয়ার সুযোগ নেই। তাকে পাস করানোর ব্যবস্থা করবো। সেই ক্ষেত্রে তার ফিটনেসের পরিমাণ বাড়বে, দক্ষতা বাড়বে।’

ফিটনেস পরীক্ষায় পাস ও ফেলের মানদণ্ড নির্ধারণ করেছে বিসিবি। পেসারদের জন্য মানদণ্ড করা হয়েছে ৭.২০। ট্রেনাররা এই মানদণ্ড কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করছেন। এনসিএল টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পেতে হলে ক্রিকেটারদের বোর্ডের এই মানদণ্ড অর্জন করতে হবে। ক্রিকেটারদের খাবারের অভ্যাস ও প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন ট্রেনাররা। খেলোয়াড়দের ফিটনেস ধরে রাখতে নিয়ম মানার ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। জাতীয় ক্রিকেট দলের ক্রিকেটারদের উন্নতি হয়েছে বলে জানান ইফতি। ট্রেনারের সঙ্গে যোগাযোগ থাকলে মাঠে ফলাফল আসবে।