পুরো স্কোয়াড নিয়ে অনুশীলন করে উচ্ছ্বসিত ডুলি

পুরো স্কোয়াড নিয়ে অনুশীলন করে উচ্ছ্বসিত ডুলি

ফন্ট সাইজ:

ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলবে দুইদিন পর। এর আগে গতকাল ইন্দোনেশিয়ার জার্কাতায় দলের অনুশীলনে যোগ দেন কানাডা প্রবাসী ফুটবলার শমিত সোম। এ মিডফিল্ডার যোগ দেয়ায় গতকাল অনুশীলনে ২৩ সদস্যের পুরো স্কোয়াডকে পান হেড কোচ টমাস ডুলি। ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আগে ফিফা আসিয়ান কাপে খেলতে ২০শে সেপ্টেম্বর জার্কাতায় পৌঁছায় বাংলাদেশ ফুটবল দল। এরপর দলের সঙ্গে যোগ দেন হামজা চৌধুরী। গতকাল দলের সঙ্গে যোগ দেন ফারহান আলী ওয়াহিদ ও শমিত সোম। ভিসা জটিলতার কারণে শুরুতে দলের সঙ্গে যেতে না পারা মিডফিল্ডার মো. সোহেল রানাও সেই বাধা পেরিয়ে পৌঁছে গেছেন জাকার্তায়। সোহেলের যোগদানে শক্তিশালী হয়েছে বাংলাদেশের মাঝমাঠ। পুরো দল নিয়ে একসঙ্গে অনুশীলন করতে পারায় আনন্দ প্রকাশ করে ডুলি বলেন, ‘আমি খুব খুশি যে এখন সবাই এখানে আছে।

সবাই উপস্থিত থাকায় আমরা পুরোদমে অনুশীলন করতে পারছি। আজ আমাদের বেশ ভালো একটি সেশন হয়েছে। এখানকার মাঠ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা চমৎকার। এমন টার্ফে খেলতে দারুণ লাগে এবং আমাদের সেশনটা দুর্দান্ত ছিল। ছেলেদের এনার্জিও বেশ ভালো।’ তবে স্কোয়াডের সবাইকে একসঙ্গে পেলেও প্রথম ম্যাচের আগে সময়টা বড্ড কম। দলে নতুন কয়েকজন খেলোয়াড় থাকায় তাদের মধ্যে বোঝাপড়াটা দ্রুত হওয়া জরুরি বলে মনে করেন কোচ। তিনি বলেন, ‘দুঃখের বিষয় হলো, পুরো স্কোয়াড নিয়ে প্রথম ম্যাচের প্রস্তুতির জন্য আমাদের হাতে মাত্র দুই-তিনদিন সময় আছে। তাই খেলোয়াড়দের নিজেদের মধ্যে দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে। আমাদের দলে কয়েকজন নতুন খেলোয়াড় আছে- যারা আগে সমিত, হামজা এবং ফাহাদের সঙ্গে খেলেনি।’ শেখ মোরসালিনের চোট নিয়ে ডুলি বলেন, ‘মোরসালিনের এখনো পায়ের পেশিতে (কাফ মাসল) কিছু সমস্যা আছে। আশা করছি আজ রাতে আমরা তার স্ক্যান রিপোর্টগুলো পাবো এবং সে আগামীকাল থেকে অনুশীলন করতে পারবে।’

জাকার্তায় দলের অনুশীলন শেষে নিজের ফেরা ও প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলেন শমিত। তিনি বলেন, ‘কয়েক মাস পর আবারো সবার সঙ্গে খেলতে খুব ভালো লাগছে। দলটাকে বেশ শার্প মনে হচ্ছে, আমাদের ট্রেনিংও খুব ভালো হয়েছে। এখানকার মাঠ এবং পরিবেশ চমৎকার। আশা করছি আমরা নিজেদের ভালোভাবে প্রস্তুত করতে পারছি। শুক্রবারের ম্যাচের আগে তৈরি হতে আমাদের হাতে আরও দুইদিন সময় আছে।’

ফিফা আসিয়ান কাপকে বাংলাদেশ ফুটবলের জন্য বড় একটি সুযোগ হিসেবে দেখছেন এই তারকা। বড় মঞ্চে লড়াই করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘এটি খুব বড় একটি টুর্নামেন্ট, একটি ফিফা ইভেন্ট। নিজেদের প্রমাণ করার জন্য বাংলাদেশের সামনে এটি দারুণ একটি সুযোগ যে, আমরাও উচ্চ পর্যায়ে খেলতে পারি। আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমরা ভালো পারফর্ম করতে পারবো।
বাংলাদেশ ফুটবলের জন্য এই টুর্নামেন্টে অংশ নেয়াটা খুবই এক্সাইটিং একটি ব্যাপার।’ আগামী ২৫শে সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আসিয়ান কাপ মিশন শুরু করবে বাংলাদেশ।