অ্যাম্বুলেন্সে করে ২ জনের লাশ নিয়ে ফিরছিলেন স্বজনরা। পরে ওই অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় আরেক নারীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার ভোর পৌনে ৫টায় বগুড়া সদর উপজেলার বগুড়া-রংপুর মহাসড়কের ঠেঙ্গামারা এলাকায় দুই জন নিহত হন। তাদের লাশ নিয়ে ফিরছিলেন স্বজনরা। পথিমধ্যে শাজাহানপুর উপজেলার নাটোর-বগুড়া মহাসড়কে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় ওই নারীর মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন—বগুড়ার কাহালু উপজেলার আড়োলা ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের মজনু আকন্দের ছেলে সিএনজি চালক শরিফুল ইসলাম ( ৪৫), একই গ্রামের জাহাঙ্গীরের ছেলে আরাফাত (১৯)। তাদের লাশ নিয়ে ফেরার সময় ধাক্কায় নিহত ওই নারীর নাম খাদিজা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোর সাড়ে ৪টায় ঢাকা থেকে রংপুরগামী একটি বাস বিপরীত দিক থেকে আসা সিএনজি চালিত অটোরিকশাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে অটোরিকশার পাঁচজন আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতুল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালে ভর্তি করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতুল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালের ম্যানেজার হুমায়ুন কবির বলেন, ‘ভোর পৌনে ৫টায় আহতদের হাসপাতালে ভর্তির পর কর্তব্যরত চিকিৎসক শরিফুল ইসলাম ও আরাফাতকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরে তাদের লাশবাহী একটি অ্যাম্বুলেন্স নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজের সঙ্গে ধাক্কা লেগে খাদিজা নিহত হন। এ সময় আরও ৩ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুন্দারহাট হাইওয়ে থানার এসআই সাগর বলেন, ‘নিহতের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’
