রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনার প্রতিবাদে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ঘেরাও করে ভাঙচুর করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এমন অভিযোগ উঠেছে। রোববার রাতে স্টেশনে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগের পর শিক্ষার্থীরা রেললাইন অবরোধ করে স্টেশনের দিকে এগিয়ে যান। পরে তারা স্টেশনে অবস্থান নিয়ে ভাঙচুর করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
এর আগে শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় দ্রুত বিচারের দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন বাজারসংলগ্ন রেললাইনে অবস্থান নিয়ে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে তারা রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের দিকে এগিয়ে গিয়ে স্টেশন ঘেরাও করেন।
বিক্ষোভকারী রাবি শিক্ষার্থী সজিবুর রহমান বলেন, 'সরকারপ্রধানকে বলতে চাই দেশের প্রশাসন, দেশের আইনকে কন্ট্রোল করুন। আমাদের ভাইয়ের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। আমরা চাই যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের প্রকাশ্যে এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হোক দ্রুত।'
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, আমি আসার পর শিক্ষার্থীরা আমার কথা শুনেছেন এবং তারা এখন আর নেই। আমার চাওয়া, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হোক। যেনো এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে আর না ঘটে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, “ মারধরে আহত চিকিৎসাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়ার পাশাপাশি রেলের নিরাপত্তারক্ষী, টিটি ও গার্ডসহ সংশ্লিষ্টদের এমন আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও পুলিশকে অনুরোধ জানিয়েছি।”
এদিকে রাজশাহীর বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপকের কার্যালয় থেকে দেয়া আদেশে চার রেলকর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
রোববার জারি করা আদেশে বলা হয়, রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে একটি ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায়’ জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
বরখাস্ত চারজন হলেন মো. আরিফ হোসেন, মো. রোকন উদ্দিন, মো. শফিকুল ইসলাম ও মো. শাহাদাত হোসেন।
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের প্রতিদিন বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপকের কার্যালয়ে হাজিরা দিতে হবে।
