বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এবং জামালপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় সংবর্ধনা দিয়েছে জামালপুর সমিতি, ঢাকা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী। অনুষ্ঠানে জামালপুরের নির্বাচিত সংসদ সদস্যবৃন্দসহ জামালপুর সমিতির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, শুধু দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ নয়, গোটা জামালপুর আমার। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন সংগ্রামে আমি জামালপুরবাসীকে আমার পাশে পেয়েছি। এজন্য আমি আজীবন আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।
জামালপুরবাসীর দোয়া ও ভালোবাসা ছাড়া আজকের অবস্থানে আসা সম্ভব হতো না। আমি সবসময় জামালপুরের জনগণের জন্য কাজ করতে চেয়েছি। ২০০১ সালে জামালপুরবাসী আমাকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেন এবং পরবর্তীতে ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-১ আসন থেকে দ্বিতীয়বারের মতো প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব দিয়েছেন।
মন্ত্রী বলেন, যদি সৎ পথে চলা যায়, সত্য কথা বলা যায় তবে সর্বশক্তিমান আল্লাহর রহমত পাওয়া যায়। এর প্রমাণ আমি নিজেই। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি আজ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী। এ সময় তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে মরহুম ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদারকে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, তার নেতৃত্ব শুধু তার নিজের জন্য নয়, গোটা জামালপুরবাসীর জন্যও ছিল এক বিরাট পাওয়া।
জামালপুরের উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, লাওচাপড়াকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া ঝিনাইগাতীতে পর্যটন হোটেল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জামালপুরের পর্যটন স্পটগুলোকে পরিকল্পিতভাবে তুলে ধরা হবে, যাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ জামালপুর ভ্রমণে আগ্রহী হন।
তিনি আরও বলেন, যমুনা নদীর ভাঙন রোধে একটি প্রকল্প বর্তমানে একনেকে রয়েছে। প্রকল্পটি শিগগিরই অনুমোদিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এর মাধ্যমে জামালপুরের সাধারণ মানুষ নদীভাঙনের কবল থেকে সুরক্ষা পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে মন্ত্রী সবাইকে দেশের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আসুন, আমরা সবাই মিলে এই দেশটাকে ভালোবেসে দেশের জন্য যার যার অবস্থান থেকে কাজ করি। অনুষ্ঠানে জামালপুরের নির্বাচিত সংসদ সদস্যগণ, জামালপুর সমিতি, ঢাকার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং জামালপুরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
