ঋণ শোধে মাদক ব্যবসা, শেষ রক্ষা হলো না

ঋণ শোধে মাদক ব্যবসা, শেষ রক্ষা হলো না

ফন্ট সাইজ:

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার নতুন বান্দুরা গ্রামের ফিরোজ হোসেন। এক সময় ডিশ ও ডেকোরেশনের ব্যবসা করে সচ্ছলভাবেই চালাচ্ছিলেন তার সংসার। গত ইউপি নির্বাচনে বান্দুরা ইউনিয়ন পরিষদের ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করেছেন। তবে ব্যবসা ও ব্যক্তিগত ঋণের বোঝা বাড়তে থাকায় একপর্যায়ে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান তিনি। ঋণের টাকা পরিশোধ করতে গিয়ে সুদের ঋণের জালে জড়িয়ে কারাভোগও করতে হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন পর এলাকায় ফিরে এসে ফিরোজ হোসেন নতুন করে মদ ও বাংলা মদের ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। এ নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা চলছিল।

এরই মধ্যে সোমবার রাতে পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন তিনি। স্থানীয় সূত্র জানায়, একসময় ডিশ ও ডেকোরেশনের ব্যবসার মাধ্যমে এলাকায় প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন ফিরোজ। ব্যবসায় লোকসান ও ঋণের চাপ বাড়তে থাকায় ধীরে ধীরে আর্থিক সংকটে পড়েন। এরপর জড়িয়ে পড়েন চক্রবৃদ্ধি সুদের ফাঁদে। স্থানীয় সুদি ব্যবসায়ী মোস্তফাসহ একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে উচ্চ হারে সুদে টাকাও নেন তিনি। ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে তাকে কারাগারেও যেতে হয়েছে। তবে তিনি যে টাকার জন্য এভাবে অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়বেন বিশ্বাসই হচ্ছে না। সম্প্রতি এলাকায় ফিরে আসার পর তার বিরুদ্ধে চোলাই মদ ও ইয়াবা বিক্রির অভিযোগ ওঠে।

গোপনে এসব মাদক বিক্রি করায় এলাকার পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। গত সোমবার রাতে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ১৮০ লিটার বাংলা মদ। নবাবগঞ্জ থানার ওসি মো. আবু হানিফ বলেন, তার কাছ থেকে চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়েছে। নিয়মিত মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।