ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী তিন মাসের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করলেও নির্বিকার নলছিটি পৌর কর্তৃপক্ষ। ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোনো কার্যক্রম নেই ঝালকাঠির নলছিটি পৌর এলাকায়। ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরসভা বা পৌর কর্তৃপক্ষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও বাংলাদেশের প্রচীনতম নলছিটি পৌরসভায় তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। পর্যাপ্ত সরকারি বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও পৌর কর্তৃপক্ষের নির্লিপ্ততার কারণ খুঁজে পাচ্ছে না পৌররবাসী।
নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দেয়া তথ্যমতে, গত জুন মাস থেকে এ পর্যন্ত ১২৫ জন রোগী এসেছেন। যাদের মধ্য থেকে ৮৬ জন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
বর্তমানে ৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুর রহমান। এছাড়া নলছিটি পৌর শহরের দু’টি প্রাইভেট ক্লিনিকে ইতিমধ্যে শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছেন। তবে ডেঙ্গুর প্রকোপ থাকলেও তা প্রতিরোধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি নলছিটি পৌর কর্তৃপক্ষ। যার ফলে নলছিটি পৌরসভার ওয়ার্ডগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর আক্রান্তের সংখ্যা মহামারির আকার ধারণ করতে যাচ্ছে। প্রায় বিশ বছর আগে কেনা ২টি ফগার মেশিন অকেজো হয়ে পড়ে আছে।
এই খাতে পর্যাপ্ত টাকা থাকলেও নতুন মেশিন কিনতে পৌরসভার বর্তমান পৌর প্রশাসকের আগ্রহ নেই। নলছিটি পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতীক কুমার কুণ্ডু জানান, ফগার মেশিন কেনা সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। এ অনেক অফিসিয়াল ফর্মালিটিজ মেইন্টেইন করতে হয়। টেন্ডার আহ্বান করতে হয়। তাই আমি কেনাকাটায় যেতে চাচ্ছি না। তাছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধে ফগার মেশিনের কোনো কার্যকারিতা নেই।
