ইংল্যান্ডের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় ডিভিশনে পদোন্নতির লড়াইয়ে থাকা কেন্ট কাউন্টি ক্লাব এক প্রকার বড় ধাক্কাই খেলো। ওয়ার্কলোডের কারণে দ্রুতই দেশে ফিরতে হচ্ছে টাইগার পেসার হাসান মাহমুদকে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সিদ্ধান্তে কেন্টের সঙ্গে তার এই চুক্তির মেয়াদ আকস্মিকভাবেই শেষ হয়ে গেল। একে ‘বড় ক্ষতি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন দলটি ডিরেক্টর অব ক্রিকেট সাইমন কুক।
কেন্ট দলের হয়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করছিলেন হাসান। মাত্র ১৫.৭৭ গড়ে তিনি ঝুলিতে ভরেন ২৬টি উইকেট। ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে গত সপ্তাহের ম্যাচেও তিনি একাই নেন ৭ উইকেট। মূলত চলতি মাসের শেষ পর্যন্ত এনওসি (ছাড়পত্র) থাকায় কেন্টের শেষ দুই ম্যাচেও তার প্রধান পেসার হিসেবে খেলার কথা ছিল। তবে এশিয়ান গেমস স্কোয়াডে নাম আসার পর পুরো হিসাব পাল্টে দেয় বিসিবি।
বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স ইন-চার্জ শাহরিয়ার নাফীস সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘এপ্রিল থেকে শুরু করে সে টানা ক্রিকেট খেলছে। জিম্বাবুয়ে সফর, ভাইটালিটি ব্লাস্ট, এলপিএল (লঙ্কা প্রিমিয়ার লীগ) এবং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের পর কাউন্টিতেও সে টানা ওভার বল করে গেছে। সামনে এশিয়ান গেমস, আফগানিস্তান সিরিজ, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দক্ষিণ আফ্রিকা সফরসহ লম্বা সূচি রয়েছে। ওর অতিরিক্ত কাজের চাপ কমাতে এবং ফিটনেস নিয়ে কাজ করার জন্যই এই সিদ্ধান্ত।’ হাসানের এমন আকস্মিক বিদায়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন কেন্টের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট সাইমন কুক। তিনি বলেন, ‘শেষের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হাসানকে না পাওয়াটা আমাদের জন্য বড় ক্ষতি। তবে বিসিবির সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে আমরা এই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাচ্ছি এবং আসন্ন শীতকালীন সময়ে ওর সাফল্য কামনা করছি।’
হাসান অবশ্য প্রথমসারির স্কোয়াড থেকে ছিটকে গেলেও, কেন্টের বাকি দুটি ম্যাচে বিদেশি পেসার কেইথ ডাডন এবং খালেদ আহমেদ দলের সঙ্গেই থাকছেন। কেন্ট তাদের ঘরের মাঠে আগামীকালের ম্যাচে ল্যাঙ্কাশায়ারের মুখোমুখি হবে। দলটি চলতি মৌসুমের শেষ ম্যাচ খেলবে গ্লুচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে।
