মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আওতায় ৩০ জন নারীর দর্জি বিজ্ঞান প্রশিক্ষণের জন্য বরাদ্দ করা অর্থের মধ্যে ১৬ জনের প্রশিক্ষণ না দিয়েই টাকা উত্তোলন করে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। আজ বিকেল ৬টার দিকে ভুক্তভোগী নারীরা অভিযোগ করে জানান, তারা ৯০ দিনের দর্জি বিজ্ঞান প্রশিক্ষণের জন্য কালিয়া উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে ভর্তি হন। প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীকে ৬ হাজার টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারীরা জানান, তারা মাত্র ৩ হাজার টাকা করে পেয়েছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ৩০ জন নারীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা থাকলেও এ ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে মাত্র ১৪ জনকে। বাকি ১৬ জনকে প্রশিক্ষণ না দিলেও তাদের নামে বিল উত্তোলন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কেয়া দাস মুঠোফোনে জানান, সরকার নির্ধারিত ৬ হাজার টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী অর্ধেক টাকা কম দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী প্রশিক্ষণার্থীদের টাকা দেওয়া হয়েছে। ৩০ জনের পরিবর্তে ১৪ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৩০ জনকেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৬ জনের টাকা আগামীকাল দেওয়া হবে। এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিনাতুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, আগামীকাল এ ব্যাপারে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলা হবে।
