৭০ মিনিটেরও বেশি সময় ১০ জন নিয়ে খেলেও নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে হারিয়ে দিলো ম্যানচেস্টার সিটি। ১-০ গোলে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের নতুন মৌসুমের প্রথম ম্যানচেস্টার ডার্বি রাঙালো সিটিজেনরা। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে রোমাঞ্চকর এক ম্যাচে আর্লিং ব্রুট হালান্দের জয়সূচক একমাত্র গোলে তিন পয়েন্ট ছিনিয়ে নিয়ে মাঠ ছাড়লো এঞ্জো মারেস্কার শিষ্যরা।
ম্যাচের প্রথমার্ধেই বড় ধাক্কা খায় সিটিজেনরা। মাঠে থাকা অবস্থায় ব্রুনো ফার্নান্দেজকে লাথি মারার অপরাধে সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ফিল ফোডেন। ২০০৬ সালের পর প্রথম সিটি ফুটবলার হিসেবে ম্যানচেস্টার ডার্বিতে লাল কার্ড দেখার ঘটনা এটি। তবে ফোডেনকে ফাউল করা সত্ত্বেও ফার্নান্দেজকে কোনো শাস্তি দেননি রেফারি।
একজন বেশি নিয়ে খেলার সুবিধা পেয়ে একের পর এক আক্রমণ চালায় ইউনাইটেড। তবে ৪৫ মিনিটে মারকাস রাশফোর্ডের ফ্রি-কিক এবং ৫০ মিনিটে কোবি মাইনুর দূরপাল্লার শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে গোলবঞ্চিত হয় রেড ডেভিলরা।
ম্যাচের ৬০ মিনিটে ইউনাইটেডের ওপর দিয়ে উল্টো ঝড় বয়ে যায়। প্রতি আক্রমণের এক সুযোগে ইয়োস্কো ভার্দিওলের নিচু শট থেকে ব্যাক পোস্ট থেকে অনায়াসে ট্যাপ-ইনে গোল করেন হালান্দ। প্রথমে অফসাইডের ফ্ল্যাগ উঠলেও দীর্ঘ ভিএআর চেকের পর গোলটি বহাল রাখা হয়। ম্যান সিটির নতুন সাইনিং এঞ্জো ফার্নান্দেজ অফসাইড পজিশনে থেকে হেডের চেষ্টা করলেও, তিনি খেলায় প্রভাব ফেলেননি বিবেচনা করে রেফারি গোল বহাল রাখেন। এ নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়।
শেষ দিকে ব্রায়ান এমবুমোর এক জোরালো শট সিটি গোলকিপার জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা দারুণভাবে রুখে দিলে সমতায় ফেরা হয়নি মাইকেল ক্যারিকের দলের। এই জয়ে ৪ ম্যাচে শতভাগ সাফল্য ধরে রাখলো সিটিজেনরা। ফলে আর্সেনালের সমান ১২ পয়েন্টে টেবিলের দুইয়ে অবস্থান করছে সিটি। ১ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে চূড়ায় গানাররা। অন্যদিকে ৪ ম্যাচে মাত্র ১ জয় নিয়ে ১৩ নম্বরে নেমে গেল ইউনাইটেড।
