প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, ‘স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বিনিয়োগ ধীরে ধীরে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করা এবং ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে, যেখানে নারী স্বাস্থ্যকর্মীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। তারা কমিউনিটি পর্যায়ে দীর্ঘস্থায়ী রোগ ব্যবস্থাপনা ও প্রসূতি সেবায় ভূমিকা রাখবেন।’ রোববার রাজধানীর বিজয় সরণির নভোথিয়েটারের এক হলে ‘সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জুবাইদা রহমান বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবাকে কেবল আধুনিক হাসপাতাল বা উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসায় সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেয়া জরুরি। ঘরের কাছে প্রয়োজনীয় সেবা না থাকায় তাদের দূর-দূরান্তে ছুটতে হয়। শুধু চিকিৎসাকেন্দ্রিক না হয়ে স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে রোগ প্রতিরোধমুখী হতে হবে, যাতে রোগ জটিল রূপ ধারণ করার আগেই তা শনাক্ত করা যায়।’ সবার জন্য সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক চিকিৎসা নিশ্চিত করার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
দেশের ৯০ হাজারেরও বেশি গ্রামে মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়ার ওপর জোর দিয়ে ডা. জুবাইদা বলেন, ‘ডেঙ্গু সচেতনতা বৃদ্ধি ও শিশুদের টিকাদান জোরদার করতে পারলে প্রান্তিক মানুষকে আর ছোটখাটো রোগের জন্য দূরে ছুটতে হবে না। এ ছাড়া হৃদরোগ, ক্যানসার ও ডায়াবেটিসের মতো অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ব্যাপক সামাজিক স্ক্রিনিং ও ধারাবাহিক মনিটরিং ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি বার্ধক্যজনিত স্বাস্থ্য সমস্যা, যেমন ডিমেনশিয়া ও পারকিনসন্স রোগের চিকিৎসা প্রস্তুতির দিকেও নজর দেয়া প্রয়োজন।’
