দুদকের তদন্ত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: আসিফ মাহমুদ

ফন্ট সাইজ:

বিএনপি সরকারের আমলে বদলি ও পদোন্নতিতে দুর্নীতির অভিযোগে আসিফের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। তিনি বলেন, দুদককে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করে বিরোধী রাজনৈতিক পক্ষকে হয়রানি করা হচ্ছে। আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগের তথ্যসহ ঘটনাপ্রবাহ পর্যালোচনা করলে এর সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততার কোনো ভিত্তি পাওয়া যাবে না। বরং বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সংঘটিত একটি পদোন্নতির ঘটনায় আমাকে জড়ানো হয়েছে। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় বসে থাকা অবস্থায় পদোন্নতি করি, টাকা নিই- এটা কীভাবে সম্ভব?’ বলেও জানান আসিফ মাহমুদ।

গতকাল দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আসিফ মাহমুদ। এ সময় তিনি তার বক্তব্যের স্বপক্ষে বিভিন্ন সরকারি আদেশ, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের রায় এবং প্রাসঙ্গিক নথিপত্র উপস্থাপন করেন। সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদ বলেন, তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা থাকাকালে মন্ত্রণালয়ের পদায়ন-বদলিসংক্রান্ত ব্যাপারে দুদকের সাম্প্রতিক যেসব অভিযোগ এবং সংস্থাটির মুখপাত্রের যে বক্তব্য, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচার। সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদের পক্ষ থেকে একটি ‘প্রেজেন্টেশন’ দেয়া হয়। এতে অভিযোগগুলোর প্রেক্ষাপট, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধারাবাহিকতা, দুদকের মুখপাত্রের বক্তব্যের বাস্তবতা প্রভৃতি বিষয় তুলে ধরা হয়।

দুদকের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুদক অভিযোগটি যাচাই-বাছাই করলে তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরুর আগে অভিযোগের সময়কাল ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দায়িত্বে থাকার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারতো। সবক’টি অভিযোগই ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। এই অনুসন্ধান রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুদক কমিশন-সংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশ বাতিল করে নতুনভাবে কমিশন গঠন করা হয়েছে। সেই দুদক রাজনৈতিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। তাকে রাজনৈতিকভাবে ভয় দেখানো ও হয়রানি করার লক্ষ্যেই অনুসন্ধানটি শুরু করা হয়েছে।