মানবজমিনের কসবা প্রতিনিধি আর নেই

মানবজমিনের কসবা প্রতিনিধি আর নেই

ফন্ট সাইজ:

দৈনিক মানবজমিনের কসবা উপজেলা প্রতিনিধি মো. সজল আহাম্মদ খান ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি... রাজিউন)। বুধবার ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে আখাউড়া পৌর এলাকার দেবগ্রামে নিজ বাড়িতে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন তিনি। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তার বড় ভাই ইকবাল আহাম্মদ খান জানান, সজল আহাম্মদ দীর্ঘদিন ধরে হৃদ্‌রোগে ভুগছিলেন। সমপ্রতি ঢাকায় গিয়ে চিকিৎসা নেন। বিনয়ী, সদা হাস্যোজ্জ্বল মো. সজল আহাম্মদ খানের মৃত্যুতে এলাকায় এবং সাংবাদিক মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে।

আখাউড়া পৌর এলাকার দেবগ্রামের জামসেদ আহাম্মদ খানের ৮ পুত্র ও ২ কন্যা সন্তানের মধ্যে সজল আহাম্মদ ছিলেন ষষ্ঠ। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক কন্যা সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার স্ত্রী রোখসানা ইয়াসমিন কসবা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষিকা। সজল আহাম্মদ সাংবাদিকতা ছাড়াও একজন নামকরা সার্ভেয়ার ও দলিল লেখক ছিলেন। গতকাল বাদ আসর দেবগ্রাম জামিয়া মাজহারুল হক দারুল উলুম মাদ্রাসা মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সর্বস্তরের মানুষ যোগ দেন।

জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন আখাউড়া প্রেস ক্লাব সভাপতি শাহাদাত হোসেন লিটন, আখাউড়া জামায়াতের সেক্রেটারি মো. বোরহান উদ্দিন খান, মরহুম সজল আহাম্মদের বড় ভাই ইকবাল আহাম্মদ খান, সাবেক পৌর কাউন্সিলর মো. বাবুল মিয়া ও জাবেদ আহাম্মদ খান। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এদিকে সজল আহাম্মদ খানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন ও সাধারণ সম্পাদক মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা। এক শোকবার্তায় তারা সজল আহাম্মদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।