চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে পণ্যভর্তি একটি কন্টেইনার বের করে নেয়ার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নথি ও স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার সকালে বন্দর থানায় এ ঘটনায় মামলা করা হয়। বন্দরের পরিবহন পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। গ্রেপ্তার দু’জন হলেন— পটিয়া জিরি ইউনিয়নের উত্তর কৈয়গ্রামের মো. মোর্শেদ আলম (৩১) ও পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার মো. সাইদুর রহমান (৫১)।
জানা গেছে, গত ১১ই আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ০৭ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল ম্যানেজারের কার্যালয়ের এফসিএল (ফুল কন্টেইনার লোড) সেকশনে জালিয়াতির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, ওই সময় অজ্ঞাত কয়েকজন সহযোগীর সঙ্গে যোগসাজশ করে প্রতারণার আশ্রয় নেন অভিযুক্তরা। পুলিশের ভাষ্য, অভিযুক্তরা অন-ডেট ও অন-চেসিস অ্যাসাইনমেন্টের কপি জাল করে তা আসল নথি হিসেবে ব্যবহার করেন। পরে ওই জাল কাগজপত্র দেখিয়ে পণ্যভর্তি একটি কন্টেইনার চট্টগ্রাম বন্দরের ১ নম্বর গেট দিয়ে বের করে নেয়া হয়। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এ ঘটনায় বন্দর থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়। মামলার তদন্তে নেমে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সহায়তায় টার্মিনাল ম্যানেজারের কার্যালয়ের সামনে থেকে মোর্শেদ আলম ও সাইদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রহিম বলেন, ডকুমেন্ট ও স্বাক্ষর জাল করে বন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থা এড়িয়ে পণ্যভর্তি কন্টেইনার বের করে নেয়ার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দু’জন ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারেন বলে ধারণা করছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।
