পাবনায় মন্দির ভাঙচুর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

ফন্ট সাইজ:

পাবনা শহরের একটি মন্দিরে ঢুকে প্রতিমা ও মন্দিরের বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুরের সময় এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে দিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে পুলিশের দাবি, ওই শিক্ষার্থী মানসিকভাবে অসুস্থ এবং মন্দিরে ঢোকার পর তার আচরণ অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে। গত সোমবার সকালে পাবনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট-সংলগ্ন পাবনা ইস্কন মন্দিরে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার প্রান্থ কুমার দাস (২৫) পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি নওগাঁর আত্রাই থানার সুধীরপুর এলাকার প্রশান্ত চন্দ্র মণ্ডলের ছেলে।

মন্দির কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির খোলা পেয়ে প্রান্থ ভেতরে প্রবেশ করেন। একপর্যায়ে তিনি মন্দিরের বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রতিমা ভাঙচুর শুরু করেন। বিষয়টি টের পেয়ে মন্দিরের লোকজন তাকে হাতেনাতে আটক করে মারধর করেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় মামলা দিয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। এদিকে মন্দির কর্তৃপক্ষের একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন, পাবনা শহরে হিন্দু পরিষদের দু’টি পক্ষ রয়েছে। তাদের মধ্যে একটি পক্ষকে দোষারোপ করে তিনি বলেন, পরিকল্পিতভাবে প্রান্থকে দিয়ে এ ঘটনা ঘটানো হয়ে থাকতে পারে। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

পাবনা সদর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, প্রান্থ মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। মন্দিরে প্রবেশের পর তার মানসিক সমস্যা বেড়ে যাওয়ায় তিনি ভাঙচুর শুরু করেন। মন্দির কর্তৃপক্ষ তাকে আটকে রেখেছিল। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে নিয়ে এসে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে।