স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসুদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ করেছে হাতিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি। শনিবার দুপুরে উপজেলা সদরে বিএনপি’র দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পৌর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি মোকারাম বিল্লাহ শাহাদাত বলেন, হাতিয়ার বিভিন্ন ঘাটে অতিরিক্ত টোল আদায়ের বিষয়ে জাতীয় সংসদে আব্দুল হান্নান মাসউদ বিএনপিকে জড়িয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এসব ঘাটে অতিরিক্ত টোল আদায় করা হচ্ছে এটা সত্য। কিন্তু এর সঙ্গে বিএনপি’র কোনো নেতাকর্মীর সম্পৃক্ততা নেই। তিনি আরও বলেন, হাতিয়ার নলচিরা ঘাটের ইজারা নিয়েছেন হাজি আবুল কাশেম নামে একজন। বাংলা বাজার ঘাটের ইজারা নিয়েছেন নেওয়াজ উদ্দিন। তারা দু’জনই বর্তমানে আব্দুল হান্নান মাসউদের ঘনিষ্ঠ লোক। উভয়ে এনসিপি’র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এক সময় তারা আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। চেয়ারম্যান ঘাটের ইজারা নিয়েছেন
সুবর্ণচর উপজেলার এক লোক। এদের সঙ্গে বিএনপি’র কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
নিজের লোকের অনিয়ম ঢাকতে গিয়ে তিনি জাতীয় সংসদে ও বিভিন্ন টকশোতে বিএনপিকে জড়িয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও কাল্পনিক। জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে তার মতো ব্যক্তির মিথ্যাচার কোনো ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যে ঘাটে জনপ্রতি যাত্রীদের কাছ থেকে ৫ টাকার পরিবর্তে ১০ টাকা নেয়ার বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করে উপজেলা বিএনপি। তাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দুই ঘাটের ইজারাদারকে ডেকে এনে ৫ টাকা করে নেয়ার নির্দেশ দেন। প্রথমবার হওয়ায় তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেন। এখন আবার একই নিয়মে ১০ টাকা করে নেয়া হচ্ছে। আমরা এই অনিয়ম বন্ধ করতে প্রশাসনকে আরও সোচ্চার হওয়ার দাবি জানাই।
বিএনপি নেতা সাব্বির উদ্দিন মাসুম, পৌরসভা বিএনপি সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশিক ইকবাল, উপজেলা যুবদল সদস্য সচিব মো. ফাহিম উদ্দিন, পৌরসভা যুবদলের আহ্বায়ক মমিন উল্লাহ রাসেল, সদস্য সচিব কাউছার মোস্তফা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সুমন তালুকদার, পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদল আহ্বায়ক রিয়াজ মাহমুদ, সদস্য সচিব আবদুল হালিম, পৌরসভা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম দুখু, সদস্য সচিব ফরহাদ হাছান প্রমুখ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
