গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে সাত মাস ধরে নেই মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। এতে উপজেলার শিক্ষা কার্যক্রম চরম ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, সাত মাস আগে মুকসুদপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদে শাহাদাত আলী মোল্লা নামে এক কর্মকর্তা দায়িত্বে ছিলেন। তিনি অবসরে যাওয়ার পর আর কোনো মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পোস্টিং হয়ে এখানে আসেননি। এক সপ্তাহ পরে কাশিয়ানী উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহফুজা বেগমকে অতিরিক্ত হিসেবে মুকসুদপুরে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সরকারি সাবের মিয়া জসিমউদ্দীন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল চন্দ্র মণ্ডল বলেন, সাত মাস ধরে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা না থাকায় বিদ্যালয়গুলোর অফিসিয়াল কাজ থেকে শুরু করে শিক্ষার উন্নয়নের ক্ষেত্রে নানান সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।
কাশিয়ানী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হলেও দুই উপজেলার কাজ করতে তার সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। জরুরি কাজ, কাগজপত্র জমা দেয়া, শিক্ষাব্যবস্থাকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে তার পরামর্শ নিতে হয়। শিক্ষার মান এগিয়ে নিতে জরুরিভাবে নতুন শিক্ষা কর্মকর্তা জরুরি। এ ব্যাপারে মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবির বলেন, উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদটি খালি রয়েছে। এতে করে শিক্ষার কার্যক্রমে প্রভাব পড়বে। এর আগে যিনি ছিলেন তিনি গত সাত মাস আগে অবসরজনিত কারণে চলে গেছেন। আমরা এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। যত দ্রুত সম্ভব মুকসুদপুরে নতুন মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আসবেন।
গোপালগঞ্জ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার খোন্দকার রুহুল আমিন বলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার শূন্যপদে আপাতত কাশিয়ানী যিনি দায়িত্ব আছেন তাকে অতিরিক্ত হিসেবে দেয়া হয়েছে। সারা বাংলাদেশ প্রায় উপজেলাগুলোতে একই পরিস্থিতি এ বিষয়টা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানেন। যত দ্রুত সম্ভব এর সমাধান হবে। তবে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা না থাকার কারণে শিক্ষা কার্যক্রম ও শিক্ষাব্যবস্থা উন্নয়নের ক্ষেত্রে নানান জটিলতা হচ্ছে। তাই আমরাও চেষ্টা করছি মুকসুদপুর শিক্ষা কর্মকর্তার শূন্যপদে কর্মকর্তা দিতে।
