রোহিঙ্গা সমস্যা আরও ঘনীভূত হয়েছে: শামা ওবায়েদ

রোহিঙ্গা সমস্যা আরও ঘনীভূত হয়েছে: শামা ওবায়েদ

ফন্ট সাইজ:

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে এবার ইউএনজিতে একটা সেশন হবে যেখানে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আমরা অনেক কথা বলেছি, আদতে এই সমস্যা আরও ঘনীভূত হয়েছে। আজ শনিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে সেন্টার ফর নন রেসিডেন্ট বাংলাদেশি আয়োজিত ‘আসন্ন জাতিসংঘ সম্মেলন ও বাংলাদেশ ব্রান্ডিং’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, "যেহেতু বর্ডারের ওইপাড়ে মিয়ানমার সরকার, আরাকান আর্মি বিভিন্নভাবে বিভক্ত, ওখানে বিভিন্ন দেশের স্টেকহোল্ডাররা স্টেক আছেন। সেই জায়গায় চিন্তা করে আমাদের রিজিওনাল যে কমপ্লিকেশন তৈরি হয়েছে ওখানে, সেখানে আন্তর্জাতিক একটা চাপ না হলে এই সমস্যার সমাধান করা খুবই কঠিন হয়ে যাবে। আপনাদের যার যার জায়গায় যেখানে আছেন, আপনাদের একটা ভূমিকা রাখার সুযোগ আছে বলে আমি মনে করি।"

তিনি বলেন, প্রবাসী ভাইদের জন্য প্রবাসী কার্ড অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। ২০২৭ সালের মধ্যে ২ লাখ প্রবাসী কার্ড করার একটা ব্যবস্থা হচ্ছে। আমাদের রেমিট্যান্স যোদ্ধাদেরকে আমরা আমরা অত্যন্ত রেসপেক্ট করি, আমরা সম্মান করি। এখানে সমস্যা হচ্ছে, আমাদের প্রবাসী ভাইয়েরা বিদেশ যান- বিশেষ করে সৌদি আরব, কাতার, ইউএই, দুবাই, মালয়েশিয়া, ইতালি, ইউরোপেও আছে। কিন্তু অবৈধভাবে যাওয়ার যে প্রবণতা এবং বিশেষ করে আমি খুবই ক্লোজলি ব্যক্তিগতভাবে কাজ করছি আইওএম ও যারা অভিবাসন নিয়ে কাজ করেন তাদের সঙ্গে। আমরা দেখেছি, আমাদের দেশী ভাইয়েরা ভূমধ্যসাগর দিয়ে, লিবিয়া হয়ে এই দালাল চক্রের হাতে পড়ে যাচ্ছে। তাদেরকে মাঝসাগরে তাদেরকে ফেলে দেয়া হচ্ছে বা মৃত্যুবরণ করছে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাথে একসঙ্গে খুব জোরভাবে কাজ করছে গত ৩-৪ মাস ধরে। যারা মধ্যপ্রাচ্যে যারা যান, তাদের সমস্যা হচ্ছে, দালাল চক্রের হাতে পড়ে অনেক সময় ফলস ডকুমেন্ট নিয়ে তারা যাওয়ার চেষ্টা করে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা এই জায়গায় কাজ করছি এবং সেই জায়গাটায় প্রধানমন্ত্রী হাত দিয়েছেন। আমরা স্কিলড লেবার পাঠাতে চাই। ভোকেশনাল ট্রেনিংসহ আমাদের যেসব স্কুলগুলো আছে সেগুলো আরও কার্যকর করার চেষ্টা করছি, যাতে লিগ্যালি আমরা পুরুষ এবং নারী স্কিলড লেবার পাঠাতে পারি বৈধ উপায়ে। তারা গিয়ে যাতে সুনামজনক কাজ করতে পারে এবং বাংলাদেশের সুনামও যাতে থাকে।
শামা ওবায়েদ বলেন, আমরা এনার্জির জন্য ডাইভার্সিফিকেশনের চেষ্টা করছি। আফ্রিকান কান্ট্রিগুলোর দিকে আমরা দেখছি। আমি ব্যক্তিগতভাবে আফ্রিকান কন্টিনেন্ট নিয়ে অনেক কাজ করছি এবং আফ্রিকাতে আমাদের ওখানে এনার্জি সোর্স আমরা পাওয়া যায় নাকি সেটার চেষ্টা করছি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা আসন্ন জাতিসংঘ সম্মেলনে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে নিজেদের আইডিয়া ও অভিজ্ঞতা উপস্থাপন করেন।