মেধায় উত্তীর্ণ হয়েও বিসিএস বঞ্চিত ৭৪ চিকিৎসক

ফন্ট সাইজ:

৩৪তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১ লাখ ৯৫ হাজার প্রার্থী। ২০১৩ সালে হওয়া এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ দুই হাজার ১৭৫ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করে পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি)। এই বিসিএসেই প্রথমবারের মতো প্রিলিমিনারিতে কোটা পদ্ধতি চালু করা হয়। এই বিসিএসে ২৭২ জন সহকারী সার্জন পদ ছিল। কিন্তু ফল প্রকাশের পর নেয়া হয় ১৯৮ জনকে। ছিল ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা। কিন্তু কোটা পূরণ না হওয়ায় ৭৪টি পদ খালি রাখা হয়। অন্যান্য ক্ষেত্রে কোটা পূরণ না হওয়ায় মেধা থেকে নিয়োগ দেয়া হলেও সহকারী সার্জন পদের ক্ষেত্রে তা মানা হয়নি। শুধু তাই নয় পূর্বের এবং পরের বিসিএসেও একই নিয়ম মানা হয়। এরই প্রেক্ষিতে ২০১৫ সালে আদালতে মামলা করেন ড. মনির লস্কর।

তিনি বলেন, এই ৩৪তম বিসিএস থেকেই মূলত কোটাবিরোধী আন্দোলনের সূত্রপাত। এই আন্দোলনের পরই ২০১৮ সাল হয়ে ২০২৪ সালে কোটাবিরোধী আন্দোলন এত ব্যাপক আকার ধারণ করে। কিন্তু তারপরও আমরা সুফল পাচ্ছি না। ২০১৫ সাল থেকে আদালতে যাচ্ছি। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আর্জি জানিয়ে বলেন, কোটাবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষিতেই ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে। এ কোটা নিয়েই বঞ্চনার শিকার আমরা। তাই বিষয়টি সুরাহার জোর দাবি জানাই।
মামলার আইনজীবী এডভোকেট লিটন আহমেদ বলেন, মামলাটি ২০১৫ সালে দায়ের করা হয়। এখন ফাইনাল হিয়ারিংয়ের অপেক্ষায় আছি। আগামী রোববার বা সোমবার এই হিয়ারিং অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।