বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিয়োগে বহাল থাকছে পূর্বের নিয়ম। অর্থাৎ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষই (এনটিআরসিএ) নিয়োগের দায়িত্ব পালন করবে। পূর্বের মতোই প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে প্রিলিমিনারি, লিখিত এবং এমসিকিউ পরীক্ষার মাধ্যমে নিবন্ধন সনদ অর্জন করে চাকরিতে যোগদান করতে হবে। মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। সভাসূত্রে জানা যায়, শিগগিরই এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি হবে। সম্প্রতি শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসিএর কাছ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির হাতে নেয়ার সিদ্ধান্ত হচ্ছে- এমন একটি রেজুলেশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পরে।
এটির বিরোধিতা করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল-সংগঠন। এর বিরুদ্ধে বিবৃতির পাশাপাশি বিক্ষোভও অনুষ্ঠিত হয়। এই পরিস্থিতিতে গত ১০ই আগস্ট শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের বরাতে জানান, এখনো এমন কোনো সিদ্ধান্ত সরকার নেয়নি। গত ৩রা আগস্ট এনটিআরসিএর সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার কার্যবিবরণীতে বিষয়টি ছিল। ওই কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছিল, এনটিআরসিএর বর্তমান অচলাবস্থা নিরসনে আগের মতো তাদের মাধ্যমে শুধু নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং প্রত্যয়ন করা শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠানের নিজ নিজ ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডি কর্তৃক নিয়োগ দেয়ার মাধ্যমে বর্তমান সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে বলে সভায় অভিমত ব্যক্ত করা হয়।
