দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নৌরুট দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া। এই নৌরুট ব্যবহার করে প্রতিদিন হাজারো পণ্যবাহী ট্রাক, লরি, কাভার্ডভ্যান সহ বিভিন্ন ভারী যানবাহন রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রবেশ করে। এসব যানবাহনের অধিকাংশই ধারণক্ষমতা ২২ টনের উপরে, অতিরিক্ত প্রায় ১৫ থেকে ২০ টন লোড নিয়ে মহাসড়কে চলাচল করে। অবৈধ অনুমোদনহীন ও লাইসেন্স-বিহীন এসব যানবাহনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মহাসড়ক। ফলে নিয়মিত ঘটেছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। হচ্ছে প্রাণহানি। অথচ বিগত সময়ে হাইওয়ে পুলিশ, এসব ওভার লোডের গাড়ি সহ অবৈধ, লাইসেন্স-বিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা সহ নানাবিধ ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও, গত ৫ই আগস্ট পরবর্তী সময়ে হাইওয়ে পুলিশের মহাসড়কে তেমন কোনো দায়িত্ব পালনের দৃশ্য চোখে পড়ছে না।
ফলে মহাসড়ক হয়ে পড়েছে মৃত্যুফাঁদ। গত কয়েক মাসের ব্যবধানে পাঁচ শতাধিক সড়ক দুর্ঘটনার বিপরীতে প্রাণহানি ঘটেছে অর্ধশতাধিক। স্থানীয়রা বলছেন, মহাসড়কের শৃঙ্খলা ফেরাত, ওভার লোডের গাড়ির বিরুদ্ধে এখনই হাইওয়ে পুলিশের ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। হাইওয়ে পুলিশ যদি বিধিনিষেধ আরোপ করে তাহলে মহাসড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি দুর্ঘটনা রোধ হবে, বাঁচবে প্রাণ। আর নিয়মিত মামলার মাধ্যমে রাজস্ব পাবে সরকার। এতে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।
এ বিষয়ে আহ্লাদিপুর হাইওয়ে থানার দায়িত্বরত ইনচার্জ মো. রুমান মোল্লা বলেন, হাইওয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা থাকায়, আহ্লাদীপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ কর্তৃপক্ষ বর্তমানে মহাসড়কে চলাচলরত ওভার লোডের গাড়ি সহ অবৈধ, কাগজপত্র ও লাইসেন্স-বিহীন কোনো যানবাহনে মামলা দেয়া হচ্ছে না। পুনরায় মামলা দেয়ার প্রক্রিয়া চালু হলে পুলিশ অবৈধ, অনুমোদনবিহীন ভারী যানবাহনে মামলা কার্যক্রম চালু করবে। এতে মহাসড়ক রক্ষা পাবে। পাশাপাশি মোটা অংকের রাজস্ব আদায় হবে।
