মাত্র ৪ মাস ৪ দিনের শিশু ফুয়াদ। জন্মের পর থেকেই তার পায়খানা সাদা, শরীর ও চোখ হলুদাভ। ধীরে ধীরে বড় হয়ে যাচ্ছে পেট। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ধরা পড়েছে জটিল রোগ ‘বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়া’। কাসাই পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচার করেও সফলতা আসেনি। এখন চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটিকে বাঁচাতে প্রয়োজন লিভার ট্রান্সপ্লান্ট। কিন্তু লিভার ট্রান্সপ্লান্টের জন্য যেতে হবে ভারতের চেন্নাইয়ে। চিকিৎসকদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, সেখানে চিকিৎসা করাতে প্রয়োজন হতে পারে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা। বিপুল এই অর্থের কথা শুনে দিশাহারা হয়ে পড়েছে পরিবারটি। এরই মধ্যে ফুয়াদের চিকিৎসায় প্রায় ৫ লাখ টাকা খরচ হয়েছে- যার সবটুকুই ঋণ করে, জমি বন্ধক রেখে। ফুয়াদের বাবা আব্দুল্লাহ আল মামুন হৃদয় কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের কোষাকান্দা গ্রামের বর্গাচাষি মো. রতন মিয়ার ছেলে।
জীবিকার প্রয়োজনে সাত মাস আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান তিনি। বর্তমানে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পেডিয়েট্রিক সার্জারি ও পেডিয়েট্রিক ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ ডা. মো. সামিউল হাসানের তত্ত্বাবধানে ফুয়াদের চিকিৎসা চলছে। স্বভাবতই অসুস্থ সন্তানকে বুকে নিয়ে একটু সহযোগিতার আশায় মানুষের দ্বারে দ্বারে ছুটে চলেছেন মা ভুবন আক্তার বীথি। তার চোখে-মুখে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা যেন কাটছেই না। তবু একটাই স্বপ্ন- ফুয়াদ যেন বেঁচে থাকে। এই স্বপ্ন থেকেই তিনি চান মানুষের একটু সহযোগিতা।
সবার সামান্য সহযোগিতায়
হয়তো ছোট্ট ফুয়াদের জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। প্রবাসে থাকা বাবা আব্দুল্লাহ আল মামুন হৃদয় যেন আরও অসহায়। সন্তানকে এখনো সরাসরি এক নজর দেখতে পারেননি, তাকে আদৌ দেখতে পারবেন কিনা, এ নিয়ে তার উদ্বেগ যেন কাটছেই না। মা ভুবন আক্তার বীথির আকুতি, আমি আমার সন্তানকে বাঁচাতে নিজের লিভার দিতে চাই। চিকিৎসকরা বলেছেন, লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করতে হবে। কিন্তু এত টাকা আমাদের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয়। সবাই যদি একটু একটু করে সহযোগিতা করেন, তাহলে হয়তো আমার সন্তানকে বাঁচাতে পারবো। ফুয়াদের চিকিৎসায় সাহায্য পাঠাতে যোগাযোগ: মোছা. ভুবন আক্তার বীথি, সঞ্চয়ী হিসাব নং- ৬২০৮৩০১০১২২৯৪, সোনালী ব্যাংক পিএলসি, সূর্যদী বাজার শাখা, শেরপুর।
