সোনাপুর-ময়েনদিয়া সড়ক নাজেহাল

সোনাপুর-ময়েনদিয়া সড়ক নাজেহাল

ফন্ট সাইজ:

কোথাও পিচ উঠে গেছে, কোথাও তৈরি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়ক জুড়ে জমে পানি ও কাদা। এভাবেই প্রায় চার বছর ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর-ময়েনদিয়া সড়কে চলাচলকারী মানুষ। প্রায় ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কটি স্থানীয়দের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের মাধ্যম। তবে দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় এখন সেটিই ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে যোগারদিয়া বটতলা মেইন রোডের অংশটির অবস্থা বেশি খারাপ। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে এ সড়ক দিয়ে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করছে। রোববার সরজমিন দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন অংশে পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও গর্ত ছোট, আবার কোথাও বড় বড় খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। যানবাহনগুলো এসব গর্ত এড়িয়ে চলতে গিয়ে কখনো এক পাশ দিয়ে, আবার কখনো সড়কের মাঝখান দিয়ে চলাচল করছে।

এতে বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষের আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে। মোটরসাইকেল চালকদের ভোগান্তি সবচেয়ে বেশি। গর্তে পড়ে নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কায় ধীরগতিতে চলতে হচ্ছে তাদের। বৃষ্টির সময় গর্তে পানি ও কাদা জমে গেলে কোনটি সড়ক আর কোনটি গর্ত- তা বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বেড়ে যায়। সড়কে চলাচলকারী কয়েকজন বলেন, গর্তের কারণে প্রতিদিনই দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বৃষ্টি হলে পানি জমে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। দ্রুত সংস্কার না হলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। পাট ব্যবসায়ী আজিজাল মোল্যা, সেকেন্দার মাস্টার ও ব্যবসায়ী মো. রাজিব হোসেন বলেন, ‘রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ।

গাড়ি চলাচল করতে গিয়া প্রায়ই বিপদ হয়। ছাত্রছাত্রী, কৃষক, ব্যবসায়ী, রোগীসহ সবাইরে এই রাস্তা দিয়া যাতায়াত করতে হয়। মালামাল আনা-নেয়ার সময় আর খরচ দুইটাই বাড়ে। অনেক দিন ধইরা এই কষ্ট করতেছি। বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই সংস্কার করা দরকার।’ সালথা উপজেলা প্রকৌশলী মো. আবু জাফর মিয়া বলেন, নতুন প্রকল্পের আওতায় সড়কটি প্রশস্ত করার জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন হয়ে এলে সড়কটির উন্নয়নকাজ করা হবে। সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন বলেন, সড়কটির সমস্যা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রকল্প অনুমোদন হলে দ্রুত উন্নয়নকাজ করা হবে।