ময়মনসিংহ-নেত্রকোণা মহাসড়কের শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে।
তার বিরুদ্ধে বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে চালকদের কাছ থেকে টাকা আদায়, ত্রুটিযুক্ত ও কাগজপত্রহীন গাড়ি চলাচলের সুযোগ দিতে নির্দিষ্ট মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ ও নগদ) নম্বরের মাধ্যমে মাসিকভিত্তিতে মাসোয়ারা নেয়া, বালু, রড, সিমেন্ট, সার, ইটভাটা, ভাঙারি ও বেকারির গাড়ি ছাড়াও সিএনজি অটোরিকশা থেকে নিয়মিত মাসোয়ারা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
এছাড়া নিজস্ব রেকার না থাকা সত্ত্বেও গাড়ি আটকে কৃত্রিম ‘রেকার বিল’ বসিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি মো. আমিনুল ইসলাম এসব দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে উড়িয়ে দেন। তবে ৬৫ জনের মাসোয়ারার তালিকার বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
অন্যদিকে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ফারুক আহমেদ জানান, মহাসড়ক চাঁদাবাজিমুক্ত রাখতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শ্যামগঞ্জ থানার ওসির বিরুদ্ধে আনা সুনির্দিষ্ট অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দ্রুত কঠোর আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
