সাধারণ মানুষ একদম মিনিমাম চায়, সবচেয়ে বেশি হচ্ছে—শান্তি

বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে ত্রিবেদী

সাধারণ মানুষ একদম মিনিমাম চায়, সবচেয়ে বেশি হচ্ছে—শান্তি

ফন্ট সাইজ:

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সোমবার সচিবালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎ শেষে ব্রিফিংয়ে দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে কথা বলেন ত্রিবেদী। তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষের বেশি কোনো পাওনা নেই। একদম মিনিমাম চায় ওরা। সবচেয়ে বেশি হচ্ছে শান্তি।’

ত্রিবেদী বলেন, ‘দু’তিন দিন আগে আমাদের সিআইআই’র ডেলিগেশন এসেছিল। ওই ডেলিগেশন আমাদের ৮০% জিডিপির, আর এখানে বাংলাদেশের যা বিজনেস কমিউনিটি আছে ওদের সঙ্গেও দেখা হলো। ওরাও ৮০% জিডিপিতে করে। আসল কথা হচ্ছে-সাধারণ মানুষ কী চায়? সাধারণ মানুষ চায়-চাকরি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভালো রাস্তা, বিদ্যুৎ। আর এটা হতে পারে যখন বাণিজ্য, বিজনেস টু বিজনেস।  আমার লেভেল থেকে তো সব কথাবার্তা হবে। কিন্তু এইটাও দরকার যে, অফিসার লেভেল; আমাদের অফিসার আর বাংলাদেশের যে বাণিজ্য মন্ত্রালয়ের অফিসার  তাদের রেগুলার টাচে থাকা দরকার।’
তিনি বলেন, ‘দেখুন দু’দিকে আছে। একটা পলিটিক্যাল লেভেল-ওটা থাকবে। আর সবসময় আমি বলি যে, ডেমোক্রেসিতে ইস্যু থাকবে। আর অন্যটা হচ্ছে মানুষেরা কী চায়? উন্নয়ন। উন্নয়ন ছাড়া কিছু হতে পারে না। আমাদের দুই দেশের সাধারণ মানুষ অনেক ট্যালেন্টেড। এই কথাটাও বললাম, যে ওদের অনেক নলেজ। বেশিরভাগ ইয়াং জেনারেশন আছে, ইয়াং জেনারেশন যা ওদের ক্ষমতা আছে যা ওদের জানাশোনা আছে, যা ওদের এসপারেশন আছে দুই দেশের। ইয়াং জেনারেশনের এসপারেশন। এইটা আমাদের সবাই দায়িত্ব। যা করার আছে আমাদের, আমরা নিশ্চয়ই করব। ইন্টারডিপেন্ডেন্সি ইজ এ পারমানেন্ট সলিউশন। আমি আপনার ওপর ডিপেন্ড করছি উন্নয়নের জন্য। আপনি আমার ওপর ডিপেন্ড করছেন। আর এই ডিপেন্ডেন্সি একটা ফ্যামিলি। এটা আমরা নিয়ে যেতে চাই।’

ত্রিবেদী বলেন, ‘যখন অর্থনীতি রাজনীতি থেকে আগে চলে যায়, তখন রাজনীতি তার পেছনে পেছনে যায়। অর্থনীতি হবে লোকদের উন্নয়নের কাজ। আর যখন লোকেরা ভাববে যে, এই রিলেশন আমাদের সবার জন্য ভালো। তাহলে পলিটিক্স কম্পালশন হয়ে যাবে। দুটোই ইম্পর্টেন্ট আছে। কিন্তু আসলে আমরা কী চাই? সাধারণ মানুষের বেশি কোনো পাওনা নেই। একদম মিনিমাম চায় ওরা। সবচেয়ে বেশি হচ্ছে শান্তি। যখন পিস থাকবে তখনই প্রসপেরিটি হবে। আমার মনে হচ্ছে দুই দেশের এইটা দায়িত্ব-টু গিভ পিস অ্যান্ড প্রসপারিটি টু দ্য ইয়াং জেনারেশন। দুই দেশের ডেমোগ্রাফি হচ্ছে ইয়াং জেনারেশন। আমরা যাই করি- উই হ্যাভ টু কিপ দেম ইন মাইন্ড।’
তিনি বলেন, ‘একটা জয়েন্ট ভেঞ্চার প্রোডাকশনেরও দরকার। আপনার এখানটার গার্মেন্ট সবচেয়ে ভালো। আমরা জিপার সাপ্লাই করতে পারি। মেশিনারি সাপ্লাই করি। বোতম সাপ্লাই করতে পারি। আপনার তো সব জায়গায় আমেরিকান মার্কেট, ইউরোপ মার্কেট আমি ওখানে অনেকবার যাই। একটা শার্ট কিনি কিংবা টিশার্ট কিনি আর লেবেল দেখি মেড ইন বাংলাদেশ। খুবই ভালো লাগে। আমাদের একটা নেইবার সব গার্মেন্টস ওখানটা আছে।’