বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ম্যাকাই টেস্টের ফল নির্ধারিত হয়েছে ৭৫০ বলে। দুই দল মিলে রান করেছে মাত্র ৩৬৯। ১৪০ বছর পর বাঁহাতি পেসার হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৭ উইকেট নেন টাইগার পেসার শরীফুল ইসলাম। এমন আরো কিছু পরিসংখ্যান মানবজমিনের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো:
৭৫০: ম্যাকাই টেস্টের ফল নির্ধারণে লেগেছে ৭৫০ বল। এটি টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসের চতুর্থ সংক্ষিপ্ত ম্যাচ এবং অস্ট্রেলিয়ায় আয়োজিত টেস্টগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সংক্ষিপ্ততম।
৩: অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলা সর্বশেষ সাতটি টেস্টের মধ্যে তিনটিই মাত্র দুই দিনে শেষ হয়েছে!
৩৬৯: ম্যাকাই টেস্টে দুই দল মিলে ৩৬৯ রান করেছে। যা টেস্ট ইতিহাসে ষষ্ঠ সর্বনিম্ন এবং অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত টেস্টের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। এর আগে ১৯৩২ সালে মেলবোর্নে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচে মোট ২৩৪ রান হয়।
৬৪ ও ৯৫: ম্যাকাই টেস্টের দুই ইনিংসে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ যথাক্রমে ৬৪ ও ৯৫ রান। টেস্ট ইতিহাসে এই প্রথমবার বাংলাদেশ দল কোনো টেস্টের দুই ইনিংসেই ১০০ রানের নিচে অলআউট হলো। এর আগে এক টেস্টে দুই ইনিংস মিলে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন মোট রান ছিল ১৮৭ (বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নর্থ সাউন্ড, ২০১৮)। এছাড়া ২০০৫ সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের পর প্রথম দল হিসেবে কোনো টেস্টের দুই ইনিংসেই ১০০ রানের নিচে অলআউট হলো বাংলাদেশ।
২১০: ম্যাকাই টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসের ২১০ রান ইনিংস ব্যবধানে জেতা দলগুলোর মধ্যে চতুর্থ সর্বনিম্ন দলীয় স্কোর। এর আগের সর্বনিম্ন তিনটির মধ্যে দুটি জিতেছিল অস্ট্রেলিয়াই। সেগুলো ১৯৫০ সালের আগের ঘটনা।
১০৯: ম্যাকাই টেস্টে নিজের দশ উইকেট পূর্ণ করতে মিচেল স্টার্কের লেগেছে মাত্র ১০৯ বল। পুরুষদের টেস্ট ক্রিকেটে এর চেয়ে কম বলে দশ উইকেট নেয়ার রেকর্ড রয়েছে মাত্র চার জন বোলারের। ১৯১২ সালে ওভালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ফ্রাঙ্ক ওলির ১০৪ বলের পর স্টার্কই সবচেয়ে কম বল খেলে এই কীর্তি গড়লেন। এছাড়া এটি স্টার্কের ক্যারিয়ারের দ্রুততম দশ উইকেট শিকার (গত বছর পার্থে অ্যাশেজ টেস্টে তার লেগেছিল ১২৩ বল)।
৪: টেস্ট ক্রিকেটে এটি স্টার্কের চতুর্থ দশ উইকেট শিকারের ম্যাচ। অস্ট্রেলীয় পেসারদের মধ্যে কেবল ডেনিস লিলি (৭টি) তার চেয়ে বেশি ১০ উইকেট শিকার করেন। স্টার্কের চেয়ে বেশি দশ উইকেট শিকার করা আরেকজন ডেল স্টেইন (৫টি)
৬: ম্যাকাই টেস্টে স্টার্কের বলে শূন্য রানে আউট হন বাংলাদেশের ৬ জন ব্যাটার! টেস্টে কোনো বোলারের এক ম্যাচে এর চেয়ে বেশি ব্যাটারকে শূন্য রানে আউট রেকর্ড কেবল জিম লেকারের (১৯৫৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৮ জন)। পাকিস্তানের ইয়াসির শাহসহ মোট আট বোলার ইনিংসে ছয়জন ব্যাটারকে শূন্য রানে আউট করেন।
৮: স্টার্কের নেয়া ১০ উইকেটের মধ্যে ৮টিই ছিল বাঁহাতি ব্যাটারদের! এর আগে ২০১৭ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষেই নাথান লায়ন এক টেস্টে বাঁহাতি ব্যাটারদের সর্বোচ্চ ১০টি উইকেট নেন। এছাড়া ট্রেন্ট বোল্ট (২০১৫), রবিচন্দ্রন অশ্বিন (২০১৫) এবং মেহেদী হাসান মিরাজও (২০১৬) এক টেস্টে ৮ জন বাঁহাতি ব্যাটারকে আউট করার কৃতিত্ব দেখান।
৭/৪৮: অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে শরীফুল ইসলামের ৭/৪৮ বোলিং ফিগারটি টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে তৃতীয় সেরা বোলিং ফিগার। একই সাথে তিনি বাংলাদেশের প্রথম পেসার হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে সাত উইকেট শিকার করেন।
১৮৮৬: শরীফুলের আগে ১৮৮৬ সালে সর্বশেষ কোনো বাঁহাতি পেসার হিসেবে ডিক বার্লো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট ইনিংসে সাত উইকেট শিকার করেছিলেন। লম্বা সময় পর সেই রেকর্ডে ভাগ বসালেন এ টাইগার পেসার।
১৪০ বছর পর শরীফুলের রেকর্ডসহ ম্যাকাই টেস্টের পরিসংখ্যান
স্পোর্টস ডেস্ক
খেলা
১ ঘন্টা আগে
২৩ আগস্ট (রবিবার), ২০২৬, ৫ঃ১২ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
